ফিফা আসিয়ান কাপ সামনে রেখে বৃহস্পতিবার থেকে জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাম্প শুরু হয়েছে। ডাক পাওয়া ২৮ ফুটবলারের মধ্যে ২৭ জন এদিন টিম ম্যানেজার আমের খানের কাছে রিপোর্ট করেছেন।
পারিবারিক সমস্যার কারণে গোলরক্ষক মিতুল মারমা কয়েক দিন পর ক্যাম্পে যোগ দেবেন। শুক্রবার থেকে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় দলের অনুশীলন শুরু হবে।
টিম হোটেলে সাংবাদিকদের ম্যানেজার আমের খান বলেন, ‘আমাদের লিগ এখনও শুরু হয়নি। দলবদল প্রক্রিয়া চলছে, যা ৩ তারিখ পর্যন্ত চলবে। ক্লাবগুলো এখনও প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শুরু করতে পারেনি। তাই কোচের সঙ্গে আলোচনা করে ন্যাশনাল টিম ম্যানেজমেন্ট কমিটি আগেভাগেই ক্যাম্প শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে অনুযায়ী খেলোয়াড়দের ডাকা হয়েছে এবং আগামীকাল (শুক্রবার) থেকে পুরোদমে অনুশীলন শুরু হবে।’
আপাতত দেশের ঘরোয়া ফুটবলে খেলা খেলোয়াড়দের নিয়েই ক্যাম্প শুরু হয়েছে। হামজা চৌধুরী কিংবা শমিত সোমের মতো বিদেশি লিগে খেলা ফুটবলাররা প্রাথমিক এই স্কোয়াডে নেই।
জাতীয় দল কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন বলেন, ‘খেলোয়াড়রা আজ যোগ দিয়েছে। আমরা সবাই কোচের পরিকল্পনার সঙ্গে থাকবো। কোচ কীভাবে খেলাতে চান, তার কী কী প্রয়োজন-সবকিছুই আমরা পূরণ করার চেষ্টা করবো।’
তিনি আরও জানান, প্রবাসী ফুটবলাররা নিজেদের ব্যস্ততা কমলে পরে ক্যাম্পে যোগ দেবেন অথবা সরাসরি ইন্দোনেশিয়ায় দলের সঙ্গে যুক্ত হবেন। এর মধ্যে কোচ তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন এবং নিজের পরিকল্পনা জানাবেন।
ঘরোয়া মৌসুম শেষে দীর্ঘ বিরতির পর মাঠে ফিরছেন ফুটবলাররা। তাই প্রস্তুতির প্রথম সপ্তাহটা বেশ কঠিন হবে বলে মনে করেন ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। তিনি বলেন, ‘প্রথম সপ্তাহটা একটু কঠিন হবে কারণ আমরা অনেক দিন ফুটবলের বাইরে ছিলাম। অনেক চ্যালেঞ্জ থাকবে এবং আমাদের খুব সিনসিয়ারলি সবকিছু করতে হবে। কোচও ঠিক এমনই একটা সময় চেয়েছিলেন। সামনে আমাদের দুটি বড় অ্যাসাইনমেন্ট—একটি ফিফা টুর্নামেন্ট এবং অন্যটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তিনি (কোচ) চার-পাঁচ সপ্তাহ সময় পাচ্ছেন। এই সময়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়াটা বাড়িয়ে নিতে হবে। এটা বড় একটা প্লাস পয়েন্ট।’
আসিয়ান কাপকে তাই দারুণ একটি প্রস্তুতিমূলক সুযোগ হিসেবে দেখছেন এই ডিফেন্ডার। তপু বলেন, ‘নভেম্বরে আমরা সাফ খেলবো, তার আগে এত বড় একটা টুর্নামেন্ট খেলা আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচক একটি ব্যাপার।’