দেড় ঘণ্টার নোটিশে সংবাদ সম্মেলন হলো অনূর্ধ্ব-২০ দলের। উজবেকিস্তান রওনা হওয়ার আগে বৃহস্পতিবার বিকালে বাফুফের সংবাদ সম্মেলনে ম্যানেজার সামিদ কাশেম ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সাইফুল বারী টিটু উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন না কোচ-অধিনায়ক!
কোচ-অধিনায়ক কিংবা কোনো খেলোয়াড় সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন না কেন? পরিস্থিতি সামলাতে ম্যানেজার সামিদ কাশেম সাংবাদিকদের বলেন, ‘উজবেকিস্তানে সরাসরি ফ্লাইট নেই তাই আমাদের দল আজ একাধিক গ্রুপে যাচ্ছে। কোচ-খেলোয়াড়দের মনোযোগ যেন বিঘ্ন না ঘটে এজন্য তারা নেই। এটা আমাদের সাধারণ রীতি নয়, এজন্য ম্যানেজার হিসেবে আমি দুঃখিত।’
ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্স ও সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। একদিন পর জোন্স হোটেলে পুলিশও ডেকেছেন। দুই কোচের মধ্যে দূরত্বও স্পষ্ট। তার পরও দুজন উজবেকিস্তান সফরে যাচ্ছেন। এ নিয়ে ম্যানেজারের বক্তব্য, ‘এখন ক্যাম্পে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। সবাই এখন ভালো মুডে রয়েছে।’
গত বুধবার হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল। আজ বৃহস্পতিবার দল রওনা হচ্ছে। এই এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত করে দোষীকে শাস্তি দেওয়া হলো না কেন? এমন প্রশ্নে ম্যানেজারের উত্তর, ‘সফরের আগে আমরা এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি, যেন দলে প্রভাব না পড়ে। তাছাড়া তথ্য পেতেও দেরি হয়েছে।’
সামিদ কাশেমের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে আসা টিটুও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন। অনূর্ধ্ব-২০ দলে কোচ নিয়ে সমস্যা ছিল সাফ টুর্নামেন্টেও। ব্রিটিশ কোচ মার্ক কক্সের সার্টিফিকেট জটিলতা ছিল। এরপর আরেক ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্স এলেও তার আচরণ চরম প্রশ্নবিদ্ধ।
কোচ-অধিনায়কের উপস্থিতি না থাকায় তাদের কাছ থেকে দলের লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে ম্যানেজার চূড়ান্ত পর্বে খেলার আশার কথা শুনিয়েছেন। বাছাইয়ে ৮ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও সাত রানার্সআপ দল মূল পর্বে খেলবে।

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবলে আরব আমিরাত-সিরিয়ার গ্রুপে বাংলাদেশ







