আসিয়ান কাপ সামনে রেখে শুরুর দিন থেকেই জাতীয় দলের অনুশীলন চলছে দুই বেলা করে। দীর্ঘদিন প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের দ্রুত ম্যাচ ফিটনেসে ফেরানোই এখন বড় লক্ষ্য।
কিংস অ্যারেনার অনুশীলন মাঠে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) থেকে ফুটবলারদের নিয়ে কাজ করছেন ডুলি। দীর্ঘ সময় ম্যাচ না খেলায় খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থা বুঝে ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে অনুশীলনের তীব্রতা।
ম্যাচ ফিটনেসের এই ঘাটতির পেছনে বড় কারণ ঘরোয়া ফুটবলের অনিশ্চয়তা। ২১ আগস্ট চ্যালেঞ্জ কাপ দিয়ে নতুন মৌসুম শুরুর কথা থাকলেও ক্লাবগুলোর প্রস্তুতির অভাবে টুর্নামেন্টটি বাতিল করেছে বাফুফে। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ঘরোয়া মৌসুম শুরুর কথা থাকলেও তখন জাতীয় দল থাকবে ইন্দোনেশিয়ায়।
এই পরিস্থিতিতে অনুশীলনের পাশাপাশি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার প্রয়োজনীয়তাও দেখছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। তার মতে, অনুশীলনরত ক্লাবগুলোর বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পারলে খেলোয়াড়দের ম্যাচের ছন্দে ফিরতে সুবিধা হবে।
তার ভাষায়, ‘যত তাড়াতাড়ি আমরা ম্যাচ ফিটনেসটা নিয়ে আসতে পারবো...আমরা যদি কিছু ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতে পারি; বিশেষ করে আমাদের যে ক্লাবগুলো আছে, যারা এখন স্টার্ট করে দিয়েছে, তাদের সঙ্গে যদি আমরা ট্রেনিং ক্যাম্প চলাকালে ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতে থাকি, তাহলে খুবই ভালো হবে।’
আসিয়ান কাপের আগে চার-পাঁচ সপ্তাহ সময় পাচ্ছেন নতুন কোচ ডুলি। এই সময়ের মধ্যে শুধু ফিটনেস নয়, নতুন কোচের কৌশলের সঙ্গে খেলোয়াড়দের মানিয়ে নেওয়ার কাজও করতে হবে। তবে প্রস্তুতির সময়টাকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তপু। প্রথম সপ্তাহটা কঠিন হবে বলেই মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘অনেক দিন ধরে আমরা ফুটবলের বাইরে। তাই অনুশীলনের প্রতিটি সেশন কাজে লাগানো গুরুত্বপূর্ণ।’