লাল-সবুজ জার্সিতে খেলে উচ্ছ্বসিত শুকি, চান গোল করতে

বাংলাদেশের হয়ে মাঠে অভিষেক হয়েছে জাপানি বংশোদ্ভূত শুকি ইতোফুসার। ফিফা আসিয়ান কাপে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে বদলি হয়ে খেলেছেন এই উইঙ্গার।  লাল-সবুজ জার্সি তে খেলতে পেরে উচ্ছ্বসিত শুকি। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অজানা অনেক কিছু জানিয়েছেন ২২ বছর বয়সী ফুটবলার।

প্রশ্ন: গতকাল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে, নিজেকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

শুকি ইতোফুসা: ছোটবেলা থেকেই জাতীয় দলের জার্সি পরা এবং সেই জার্সিতে মাঠে খেলা আমার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। গতকালের ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে বললে, এখনও কিছু জায়গায় আমার উন্নতি করার প্রয়োজন আছে। আমি আমার ফিটনেস ও কন্ডিশন আরও উন্নত করতে কঠোর পরিশ্রম করতে চাই। পাশাপাশি গোল করা বা অ্যাসিস্ট করার মাধ্যমে দলের জন্য আরও বেশি অবদান রাখতে চাই।

প্রশ্ন: ভেবেছিলেন প্রথম ম্যাচেই লাল সবুজ জার্সি পড়ে মাঠে নামা হবে?

শুকি ইতোফুসা: আমি আসলে কখনও এভাবে ভাবিনি, যে আমার অভিষেক হয়ে যাবে গতকাল, তবে আমি প্রস্তুত ছিলাম দেশের জন্য লড়তে।

প্রশ্ন: আপনার সতীর্থরা জাপানিজ বলতে পারে না, তাদের সঙ্গে কীভাবে কমিউনিকেশন করেন?

শুকি ইতোফুসা: আমি জানি যে তারা জাপানিজ বলতে পারে না। তবে আমার সতীর্থরা ইংরেজি বা সহজ কিছু ইশারা-ইঙ্গিত ব্যবহার করে, যতটুকু আমি বুঝতে পারি। এছাড়াও, কিছু সতীর্থ সবসময় আমার খেয়াল রাখে এবং আমার সঙ্গে কথা বলে। তাই এখন আমি মোটামুটি একটা পর্যায় পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি। সময়টা খুব উপভোগও করছি, কোনও সমস্যা হচ্ছে না।

প্রশ্ন: দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের মিস করেন? এবার তো মনে হয় সবচেয়ে বেশি সময় পরিবার থেকে দূরে?

শুকি ইতোফুসা: বাংলাদেশের হয়ে খেলা, একজন ফুটবলার হিসেবে আমার স্বপ্ন, আবার এটা আমার পরিবারেরও স্বপ্ন। পরিবার থেকে দূরে থেকে আমি যদি সফল হতে পারি, তাহলে সেটা আমার পরিবার এবং আরও অনেক মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে আনে। তাই আমি মনে করি, পরিবার থেকে দূরে থাকাটা কোনও সমস্যা নয়।

প্রশ্ন: বাসায় কেউ বাংলায় কথা বলে?

শুকি ইতোফুসা: শুধু আমার বাবা বাসায় বাংলায় কথা ভলে। বাসায় বাকী সদস্যরা, মানে আমরা জাপানিজ ভাষাতেই কথা বলি।