ওমানে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমিরুলদের প্রস্তুতি শুরু 

সেপ্টেম্বরে জাপানে আইচি-নাগোয়া শহরে হবে এশিয়ান গেমস। তার আগে ২৫ মার্চ ওমানের মাসকটে শুরু হবে হকির বাছাইপর্ব। বৃহস্পতিবার এশিয়ান গেমসের বাছাইয়ের জন্য প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে প্রাথমিক দলে ডাক পাওয়া ৩৭ সদস্যের মধ্যে ৩৬জন ফিটনেস বা কুপার টেস্টে অংশ নিয়েছেন।  

বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে কোচ আশিকুজ্জামানের অধীনে হয় কুপার টেস্ট। এরপর পাশের মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে ঘণ্টাখানেকের অনুশীলনও হয়েছে। প্রায় দুই মাস পর মাঠে ফেরা খেলোয়াড়দের ফিটনেসের অবস্থা জানতে চাওয়া হয়েছিল কোচ আশিকুজ্জামানের কাছে। তার কথা, ‘আসলে জুনিয়র ওয়ার্ল্ড কাপ এবং পাকিস্তান সিরিজের পরে ঘরোয়া কোনও খেলা ছিল না। ফলে ফিটনেস ধরে রাখা খুবই কঠিন। তারপরও ছেলেরা যার যার জায়গা থেকে শতভাগ চেষ্টা করেছে। হয়তো আশানুরূপ হয়নি। তবে সামনে আরও এক-দেড় সপ্তাহ সময় উন্নতি হবে।’

ওমানে সেরা ৫ দল জায়গা পাবে জাপানে এশিয়ান গেমসে। এই বাছাইয়ের ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড পুস্কর খিসা মিমো- যাকে এশিয়া কাপের আগে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া নাঈম উদ্দিন, মাইনুল ইসলাম কৌশিক ও মাহবুব হোসেনদেরও প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছে। তবে এবারও ডাক পাননি দেশের হকির পোস্টার বয় রাসেল মাহমুদ জিমি। 

ফেডারেশন অবশ্য হকিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেই সীমাবদ্ধ রাখছে। ঘরোয়া হকি নিয়মিত করার উদ্যোগ সেভাবে নিতে দেখা যাচ্ছে না। ২০২৪ সালে সর্বশেষ লিগ হওয়ার পর বর্তমান কমিটি লিগ আয়োজন করতে পারেনি। 

এদিকে, জুনিয়র বিশ্বকাপে আলো ছড়ানো ১৮ গোল করে সেরা আমিরুল ইসলাম চাচ্ছেন সিনিয়র দলেও নিজের প্রতিভার ছাপ রাখতে। তার কথা, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়া এবং এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করা। যেহেতু আমরা এএইচএফ কাপে ভালো করতে পারিনি, সেই ব্যর্থতা মুছে বাছাইয়ে চেষ্টা করতে হবে সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে টিমে থাকা। এরপর সর্বোচ্চটা দিয়ে দেশের জন্য সেরা ফলাফল আনার চেষ্টা করবো।’