একই ধরনের রিলস ও পোস্টে বিরক্ত? ইনস্টাগ্রাম অ্যালগরিদম রিসেটের উপায় জেনে নিন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারকারীর আগ্রহ ও কার্যক্রমের ভিত্তিতে ফিড, রিলস ও এক্সপ্লোরে বিভিন্ন কনটেন্ট দেখানো হয়। তবে সময়ের সঙ্গে প্ল্যাটফর্মটির অ্যালগরিদম ভিত্তিক রেকোমেন্ডেশন ব্যবস্থা একই ধরনের পোস্ট বারবার ফিডে আনতে পারে, যা সময়ের সাথে ব্যবহারকারীর বর্তমান আগ্রহের সঙ্গে না-ও মিলতে পারে বা একঘেয়ে মনে হতে পারে। এ সমস্যা সমাধানে ইনস্টাগ্রামে রয়েছে ‘রিসেট সাজেস্টেড কনটেন্ট’ সুবিধা। এর মাধ্যমে প্রস্তাবিত কনটেন্টের অ্যালগরিদম নতুন করে সাজানোর সুযোগ পান ব্যবহারকারীরা। ফলে নতুন করে নিজের আগ্রহ অনুযায়ী কনটেন্ট দেখার সুযোগ তৈরি হয়।

ইনস্টাগ্রাম অ্যালগরিদম রিসেট করবেন যেভাবে

ইনস্টাগ্রাম অ্যালগরিদম রিসেট করতে প্রথমেই অ্যাপে ঢুকে নিজের প্রোফাইলে যেতে হবে। এরপর ওপরের ডান পাশে থাকা তিনটি লাইনের মেনুতে ট্যাপ করে ‘কনটেন্ট প্রেফারেন্সেস’ নির্বাচন করতে হবে। সেখানে ‘রিসেট সাজেস্টেড কনটেন্ট’ অপশনে ট্যাপ করলে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করে রিসেট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করার আগে অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টগুলোর তালিকা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন হলে কিছু অ্যাকাউন্ট আনফলো করার সুযোগও দেবে ইনস্টাগ্রাম।

রিসেটের পর কী পরিবর্তন হবে

অ্যালগরিদম রিসেট করলে এক্সপ্লোর, রিলস ও ফিডে দেখানো কনটেন্ট নতুন করে সাজানো হবে। তবে এতে অনুসরণ করা অ্যাকাউন্ট, নিজের পোস্ট, স্টোরি কিংবা ডাইরেক্ট মেসেজ মুছে যাবে না। বিজ্ঞাপন দেখানোর ব্যবস্থাও অপরিবর্তিত থাকবে। রিসেটের পর ব্যবহারকারীর নতুন কার্যক্রমের ভিত্তিতে আবার কনটেন্ট সাজাতে শুরু করবে ইনস্টাগ্রাম।

নিজের পছন্দ অনুযায়ী ফিড সাজাবেন যেভাবে

অ্যালগরিদম পুরোপুরি রিসেট না করেও ফি ডের কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কোনো পোস্ট বা রিলস পছন্দ না হলে সেটির তিন ডট মেনু থেকে ‘হাইড’ নির্বাচন করা যাবে। নির্দিষ্ট শব্দ বা বিষয়বস্তুর পোস্ট এড়াতে ‘হিডেন ওয়ার্ডস’ সুবিধা ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া ‘ফলোয়িং’ ফিড চালু করলে অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টগুলোর পোস্ট কালানুক্রমিকভাবে দেখা যাবে। পছন্দের অ্যাকাউন্টগুলোকে ‘ফেভারিটস’ তালিকায় রাখলে সেগুলোর পোস্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

রিসেটের পর নতুন ফিড সাজাতে নিজের আগ্রহের কনটেন্টে লাইক ও মন্তব্য করতে হবে এবং পছন্দের নির্মাতাদের অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্টে বেশি সময় না দেওয়াও জরুরি। কারণ শুধু লাইক বা মন্তব্য নয়, কোনো পোস্ট বা ভিডিও দেখার সময় বা ওয়াচ টাইমও ব্যবহারকারীর সংশ্লিষ্ট কনটেন্টের প্রতি আগ্রহ বোঝার সংকেত হিসেবে বিবেচিত হয়।