দুগ্ধ খামারিদের মধ্যে ঋণ প্রবাহ বাড়াতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে দুধের চাহিদা পূরণে খামারিদের মাত্র পাঁচ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ জন্য ২০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় ১২টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায়, এ খাতে আবশ্যিকভাবে ঋণ প্রবাহ বাড়াতে নতুন করে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে অবিতরণকৃত সমুদয় অর্থ গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করতে হবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে শাখাওয়ারি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা আবশ্যিকভাবে অর্জন করতে হবে। অংশগ্রহণকারী সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহায়তায় প্রকৃত খামারিদের মধ্যে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। ঋণ বিতরণের পর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে মাসিক বিবরণী আবশ্যিকভাবে প্রেরণ করতে হবে। আর বিতরণ করা ঋণের সদ্বব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
গাভী পালন,ক্রয় ও কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে শংকর জাতের গাভী পালনের জন্য বিদ্যমান ঋণ সুবিধার পাশাপাশি এ খাতে অধিকতর ঋণ প্রবাহ নিশ্চিত করতে পাঁচ বছর মেয়াদী (নবায়ন-আবর্তন যোগ্য) ঋণ বিতরণ করবে ব্যাংকগুলো। একজন গ্রাহক ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ দুলাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।
জানা গেছে, দেশে দুধের মোট চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ উৎপাদন হয়। বাকি ৮০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। প্রতি বছর ৪০০ কোটি টাকার দুধ আমদানি করা হয়।আমদানি নির্ভরতা কমাতে সরকার ক্ষুদ্র প্রান্তিক খামারিদের ২০০ কোটি টাকার তহবিলের মাধ্যমে ঋণ বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রকল্পের শতভাগ বাস্তবায়ন হলে দেশ দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে এবং মানুষের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে।
/জিএম/ এপিএইচ/







