পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ১০০টি ইকোনোমিক জোন তৈরি করা হবে। এর মধ্যে ২৩টি ইকোনোমিক জোনের কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। শনিবার (০৫ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আরবিট্রেশন সেন্টারে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটি আয়োজিত ‘ওয়ার্কশপ অন এনভায়রনমেন্ট অ্যাওয়ারনেস থ্রু মেডিয়েশন অ্যান্ড গভর্মেন্ট ফাংশনারিজ’ শীর্ষক কর্মশালায় এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইকোনোমিক জোন অথরিটির ডেপুটি সেক্রেটারি মো. দাউদ মিয়া।
তিনি বলেন,‘পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে। পরিবেশের বিপর্যয় না ঘটিয়ে নতুন নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন করতে হবে। সরকার ইতোমধ্যেই ২৩টি ইকোনমিক জোনের কাজ শুরু করেছে। এর মধ্যে চট্রগ্রামের মিরসরাইয়ে ৩০ হাজার একর জমি নিয়ে ইকোনমিক জোন হচ্ছে। সেখানে পরিবেশ রক্ষায় সবুজায়ন ও জলাধারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
ডেপুটি সেক্রেটারি আরও বলেন,‘জাপান,ভিয়েতনাম,মিয়ানমার শিল্পকারখানা করার সময় পরিবেশ বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে এর পাশেই সবুজায়ন ও বনায়ন করছে। আমাদের দেশেও পরিকল্পনা নিয়ে এভাবে শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে হবে।’
বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটির সভাপতি বিচারপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মোল্লা মিজানুর রহমান,অ্যাডভোকেট আফসানা বেগম,তন্ময় রহমান শান্তা,ড. সাদিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান খান প্রমুখ।
বক্তারা পরিবেশ রক্ষায় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন। সেই সঙ্গে তারা শিশু শ্রেণি থেকে উচ্চতর শিক্ষায় পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান।
এমটি/এএম







