খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকারদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৮ মে ২০১৯, ১৭:৪৮আপডেট : ২৮ মে ২০১৯, ১৭:৫১

‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০১৮’-এর মোড়ক উম্মোচন করেন গভর্নর ফজলে কবির ব্যাংকিং খাতে পুঞ্জীভূত মন্দ ঋণ (খেলাপি) কমাতে ব্যাংকারদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

মঙ্গলবার (২৮ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০১৮’-এর মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এই নির্দেশ দেন।

ফজলে কবির এই রিপোর্টের মোড়ক উম্মোচন করেন।

গভর্নর ফজলে কবির মন্দ ঋণ কমাতে সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম হিসেবে আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে অনেক বেশি সম্পৃক্ত। ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থ, বাণিজ্য ও রাজনীতিতে সংঘটিত নানা পরিবর্তন আমাদের জন্য বিভিন্ন আশঙ্কার পাশাপাশি সম্ভাবনার সুযোগও তৈরি করছে।’ তিনি আর্থিক সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তনের গতি-প্রকৃতির প্রতি মনযোগী থাকার পরামর্শ দেন।

ফজলে কবির বলেন, ‘বৈশ্বিক শ্লথ প্রবৃদ্ধির হার ও নানামুখী ঝুঁকি থাকার পরও নিম্নমুখী মুদ্রাস্ফীতি, রেমিট্যান্স ও রফতানি প্রবৃদ্ধি এবং আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবৃদ্ধি সহায়ক নীতিমালার পাশাপাশি শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ফলে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।’

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন পর্যাপ্ততা ও তারল্য ন্যূনতম আবশ্যকীয় হারের চেয়ে বেশি ছিল।

ফজলে কবির দেশের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে ঋণ ও আমানতের সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের প্রতি আহ্বান জানান।

এসময় তিনি ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধির ফলে সাইবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত ঝুঁকি বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীরা, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

/জিএম/এইচআই/
সম্পর্কিত
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিদেশি বিনিয়োগ সংক্রান্ত নতুন বিধিমালা জারি চীনের
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে