রাজস্ব খাতের বহুল আলোচিত সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে সরকার।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংশোধিত অধ্যাদেশ প্রকাশ করা হয়।
কী পরিবর্তন হলো
সংশোধনীতে বলা হয়েছে, রাজস্বনীতি বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে সামষ্টিক অর্থনীতি, বাণিজ্যনীতি, পরিকল্পনা, রাজস্বনীতি বা রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ কোনও সরকারি কর্মকর্তাকে। আর রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব পদে অবশ্যই রাজস্ব আহরণ সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকেই নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ছাড়া উভয় বিভাগে জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আগের অধ্যাদেশে (১২ মে জারি) বলা হয়েছিল, রাজস্বনীতি বিভাগের সচিব পদে যেকোনও যোগ্য সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া যাবে। আর রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে কেবল অগ্রাধিকার দেওয়া হবে—এমন বিধান ছিল। নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে বিষয়গুলো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
প্রেক্ষাপট
১২ মে জারি হওয়া মূল অধ্যাদেশের বিরোধিতা করে প্রায় দেড় মাস আন্দোলনে ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জুনের শেষ দিকে আন্দোলনের কারণে দেশের বিভিন্ন শুল্ক ও কর কার্যালয়ে কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। পরে ব্যবসায়ীদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন স্থগিত হয়। তবে ওই সময় থেকে এনবিআরে বরখাস্ত, বদলি ও অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।
অধ্যাদেশ সংশোধনের লক্ষে গত ২৯ জুন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সংশোধনী আনা হয়েছে।









