রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধে বিদ্যুৎ সাশ্রয় কতটুকু, আর ব্যবসায় ক্ষতি কতটা

গোলাম মওলা
১৫ আগস্ট ২০২৬, ২২:০৫আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দোকানপাট, মার্কেট ও বিপণিবিতান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্তে ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যকে ব্যবসায়ীরা পুরোপুরি অস্বীকার না করলেও, ব্যবসার সময় দুই থেকে তিন ঘণ্টা কমে যাওয়ায় বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। বিশেষ করে পোশাক, জুতা, গৃহস্থালি পণ্য, ইলেকট্রনিকসসহ খুচরা ব্যবসায় সন্ধ্যার পর যে বাড়তি ক্রেতা আসে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় ক্ষতির জায়গা হয়ে উঠেছে।

১২ আগস্ট থেকে নতুন এই সময়সূচি কার্যকর হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট, মার্কেট ও বিপণিবিতান খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ এবং সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবাগুলো এ নির্দেশনার বাইরে রয়েছে।

সন্ধ্যার পরই মূল বিক্রি

ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো, দোকান বন্ধের সময় কমানো হলেও ক্রেতাদের কেনাকাটার সময় কমছে না। কর্মজীবী মানুষের বড় অংশ দিনের বেলায় কর্মস্থলে থাকেন। অফিস শেষে যানজট পেরিয়ে শপিংমল বা দোকানে পৌঁছাতে পৌঁছাতেই সন্ধ্যা হয়ে যায়। ফলে সাধারণত সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা বা ১০টা পর্যন্ত সময়টিই খুচরা ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এখন রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে হওয়ায় ক্রেতাদের হাতে কেনাকাটার সময় কমে যাচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক প্রতিষ্ঠানের বিক্রি অর্ধেকের কাছাকাছি নেমে এসেছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন।

যমুনা ফিউচার পার্কের এক ব্যবসায়ী বলেন, অফিস শেষ করার পর যানজটে মানুষকে দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে হয়। এরপর শপিংমলে এসে কেনাকাটার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না। রাত ৮টায় বন্ধ করতে হলে বিশেষ করে কর্মজীবী ক্রেতাদের বড় একটি অংশ আর দোকানে আসার সুযোগই পাবেন না।

গুলশানের ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ডগুলোর কিছু বন্ধ, কিছু সচল। তিনি প্রশ্ন করেন, সরকার কীভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তিনি বলেন, ‘ঢাকা দেশের রাজধানী। সারাদিন লোকজন কর্মব্যস্ত থাকে। সন্ধ্যার পর তারা কেনাকাটা বা রেস্টুরেন্টে খেতে যায়। আর আপনি সন্ধ্যার পর সব বন্ধ করে দিচ্ছেন। এটা কী ধরনের সিদ্ধান্ত।’

এই সিদ্ধান্তের কারণে একদিকে ব্যক্তির স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চান, তাদেরও তা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বড় ব্র্যান্ড থেকে ছোট দোকান, চাপে সবাই

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে এমনিতেই দেশের অর্থনীতি ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় চাপ রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পর অনেক পরিবার পোশাক, জুতা, ইলেকট্রনিকস বা অন্যান্য পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিচ্ছে। এর মধ্যে ব্যবসার সময় আরও কমে গেলে খুচরা বাজারে বিক্রি আরও কমার আশঙ্কা করছেন উদ্যোক্তারা।

বড় ব্র্যান্ডের শোরুমের পাশাপাশি ছোট দোকানগুলোও এর প্রভাবের বাইরে থাকবে না। কারণ দোকানের ভাড়া, কর্মীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল, পরিবহনসহ অধিকাংশ খরচ নির্দিষ্ট। কিন্তু বিক্রির সময় কমে গেলে আয় কমবে। ফলে অনেক ব্যবসায়ীর জন্য পরিচালন ব্যয় বহন করাই কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

রামপুরার ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম বলেন, ‘এসব সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড কতটুকু বিদ্যুৎ খায়। কীসব সিদ্ধান্ত! গ্যাস-বিদ্যুতে সারা দেশে হাহাকার শুরু হয়েছে, সেগুলো ঠিক না করে এখন আসছে ঘরের লাইট বন্ধ করতে। মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। মানুষের কষ্ট সরকারের বোঝা উচিত।’

বাড্ডার ব্যবসায়ী ইকরাম হোসেন বলেন, ‘কোনও সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড বন্ধ হয়নি। আর এগুলো বন্ধ করবে কে? কেনই বা বন্ধ করবে।’

তিনি বলেন, সরকার দ্রুত গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান না করলে জনগণ তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

‘সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে’

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ইতোমধ্যে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে এবং বেচাকেনাতেও তার প্রভাব পড়ছে।

বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বিদ্যুতের পরিস্থিতি খারাপ। সবার আগে আমাদের রাষ্ট্র। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এ রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের কোনও আপত্তি নেই। এক ঘণ্টা এগিয়ে নিয়ে বন্ধ করলে এমন কোনও ক্ষতি দেখি না। আবার যখন পরিস্থিতি ঠিক হবে, তখন আবার আমাদের সময় বাড়িয়ে দেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতি সম্প্রতি আমাদের এ রকম সিদ্ধান্ত দিয়েছিল। আমরা মেনে নিয়েছিলাম। পরে আবারও বাড়িয়েছে। আমরা আশা করছি সামনে শীতকালের মধ্যে পরিস্থিতি ঠিক হবে। তখন আমাদের সময়ও বাড়িয়ে দেবে।’

তার ভাষায়, রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ করলে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে। তবে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগে ব্যবসায়ীরা সহযোগিতা করতে চান। সংকট কেটে গেলে আবার ব্যবসার সময় বাড়ানো হবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে তাঁদের।

বাংলাদেশ হোটেল রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ফিরোজ আলম সুমন বলেন, ‘আমরা বিগত এক-দেড় বছর ধরে এমন টানাপোড়েনের মধ্যে যাচ্ছি। সরকার তার লোড ম্যানেজমেন্টের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা অবশ্যই ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব আসবে। তারপরও সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে।’

সময় কমানোর বদলে সময় বদলানোর প্রস্তাব

ব্যবসায়ীদের একটি অংশ অবশ্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন না। তাদের প্রস্তাব হলো—দোকান খোলার সময় পিছিয়ে দিয়ে বন্ধের সময় কিছুটা বাড়ানো।

তাদের মতে, সকাল ১১টায় দোকান খোলার পরিবর্তে দুপুর ২টার দিকে খুলে রাত ১০টা পর্যন্ত চালু রাখা যেতে পারে। এতে দিনের তুলনামূলক কম ব্যস্ত সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে। আবার সন্ধ্যার পর ক্রেতাদের কেনাকাটার সুযোগও থাকবে।

ব্যবসায়ীদের যুক্তি, মূল লক্ষ্য যদি বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়, তাহলে কোন সময়ে বিদ্যুতের ব্যবহার বেশি হচ্ছে এবং কোন সময়ে ক্রেতার চাপ বেশি—তা বিবেচনায় নিয়ে সময়সূচি নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং ব্যবসা—দুই দিকই কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

নির্দেশনা বাস্তবায়নেও প্রশ্ন

সরকারি নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এর বাস্তবায়ন নিয়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। বড় কয়েকটি বিপণিবিতান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্ধ হলেও বিভিন্ন এলাকার ব্র্যান্ডের শোরুম ও ছোট দোকান রাত ৮টার পরও খোলা থাকতে দেখা গেছে। কোথাও বিলবোর্ড বন্ধ থাকলেও কোথাও তা জ্বলতে দেখা গেছে।

গুলশানের ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলামও বলেন, বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ডগুলোর কিছু বন্ধ, কিছু সচল।

বাড্ডার ব্যবসায়ী ইকরাম হোসেনের ভাষ্য, ‘কোনও সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড বন্ধ হয়নি। আর এগুলো বন্ধ করবে কে? কেনই বা বন্ধ করবে।’

এতে একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—যদি সিদ্ধান্তটি সবার জন্য প্রযোজ্য হয়, তাহলে এর বাস্তবায়ন কীভাবে নিশ্চিত করা হবে?

ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ মনে করছেন, কঠোরভাবে সময় কমানোর বদলে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত একটি সময়সূচি নির্ধারণ করা উচিত। কারণ একদিকে জ্বালানি সাশ্রয় প্রয়োজন, অন্যদিকে খুচরা ব্যবসা সচল রাখাও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ক্ষতি শুধু দোকানদারের নয়

দোকানপাটের সময় কমে যাওয়ার প্রভাব শুধু ব্যবসায়ীর বিক্রিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে কর্মসংস্থান, সরবরাহকারী, পরিবহন, পাইকারি বাজার এবং ব্যাংকঋণ পরিশোধের সক্ষমতা।

একটি দোকানের বিক্রি কমলে সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের আয় ও চাকরির নিরাপত্তায় চাপ তৈরি হতে পারে। বিক্রি কমলে নতুন পণ্য কেনার পরিমাণ কমবে, ফলে পাইকারি ব্যবসা ও উৎপাদক পর্যায়েও এর প্রভাব পড়বে। এভাবে খুচরা বাজারের সংকট ধীরে ধীরে সরবরাহব্যবস্থার ওপরও চাপ তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রিজ ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম দীর্ঘ সময় চালু রাখতে না পারায় পণ্য নষ্ট হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। ফলে একদিকে বিক্রি কমছে, অন্যদিকে পরিচালন ব্যয় ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় নাকি অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ?

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের আপত্তি তুলনামূলক কম। মূল প্রশ্ন হচ্ছে, সাশ্রয়ের জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, যার ফলে অর্থনীতিতে ক্ষতির পরিমাণ সাশ্রয় করা বিদ্যুতের চেয়ে বেশি হয়ে যায়।

কারণ বর্তমানে দেশের শিল্পকারখানায় গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন কমছে, রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো অর্ডার ও সময়মতো পণ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন, আর খুচরা বাজারে বিক্রি কমছে। এই অবস্থায় দোকানপাটের কার্যক্রম আরও সংকুচিত হলে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যেও তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তাই ব্যবসায়ীদের মতে, জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধানই হওয়া উচিত সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সাময়িকভাবে দোকানপাটের সময় কমানো যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘদিন এভাবে চললে ব্যবসা, কর্মসংস্থান ও ভোক্তা ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়বে।

সব মিলিয়ে রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু এর পাশাপাশি খুচরা বিক্রি, ব্যবসায়ীদের আয়, কর্মসংস্থান ও বাজারের সামগ্রিক গতিশীলতার ওপর কী প্রভাব পড়ছে, সেটিও সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। সংকট মোকাবিলার এমন পথই এখন প্রয়োজন, যেখানে একদিকে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে অর্থনীতির চাকা আরও ধীর হয়ে যাবে না।

/আইএ/ইউএস/
সম্পর্কিত
রাত ৮টায় দোকান বন্ধের নির্দেশনা কতটা মানছেন ব্যবসায়ীরা
রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশনা
ব্যাংক খাতে এস আলমের ফেরার পথ চিরতরে বন্ধ হলো
সর্বশেষ খবর
যে বিরোধে সরকারদলীয় এমপির ওপর হামলা করলো স্থানীয়রা
যে বিরোধে সরকারদলীয় এমপির ওপর হামলা করলো স্থানীয়রা
শাহজালালে একদিনে চার ফ্লাইটে অভিযান, যাত্রীদের ব্যাগে পাওয়া গেলো যা
শাহজালালে একদিনে চার ফ্লাইটে অভিযান, যাত্রীদের ব্যাগে পাওয়া গেলো যা
ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষ কত দিন বাঁচতে পারেন
ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষ কত দিন বাঁচতে পারেন
চোখ বন্ধ করতেই মাথায় হাজার চিন্তা, ঘুম আসছে না?
চোখ বন্ধ করতেই মাথায় হাজার চিন্তা, ঘুম আসছে না?
সর্বাধিক পঠিত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্য কে এই ফরহাদ হালিম ডোনার
বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্য কে এই ফরহাদ হালিম ডোনার
আবার খোলা হলো শাহজালাল মাজারের দানবাক্স
আবার খোলা হলো শাহজালাল মাজারের দানবাক্স
খালেদা জিয়ার জন্মদিনে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী
খালেদা জিয়ার জন্মদিনে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী
আমার ওপর হামলা হয়েছে, আমি সরকারদলীয় এমপি হয়েও নিরাপদ নই
আমার ওপর হামলা হয়েছে, আমি সরকারদলীয় এমপি হয়েও নিরাপদ নই
যে সৈকত পরিণত হয় জনসমুদ্রে
যে সৈকত পরিণত হয় জনসমুদ্রে