এবার কি রফতানিতে নতুন ইতিহাস গড়বে পোশাক খাত? 

গোলাম মওলা 
০৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫০আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫০

বিশ্ব বাণিজ্যে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি। একের পর এক শুল্ক পরিবর্তন, জোরপূর্বক শ্রম ইস্যুকে কেন্দ্র করে নতুন কর আরোপ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস— সব মিলিয়ে বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বাস্তবতা। এই পরিবর্তনের মধ্যেই বাংলাদেশের সামনে এসেছে একটি বিরল সুযোগ। বহু বছর পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি চীন ও ভিয়েতনামের তুলনায় তুলনামূলক কম শুল্কের সুবিধা পাচ্ছে। 

তবে প্রশ্ন হচ্ছে— বাংলাদেশ কি এই সুযোগকে দীর্ঘমেয়াদি বাজার দখলের কৌশলে রূপ দিতে পারবে, নাকি অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা আবারও এগিয়ে যাবে? 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সুযোগ ক্ষণস্থায়ীও হতে পারে। কারণ, শুধু কম শুল্ক থাকলেই বাজার বাড়ে না। উৎপাদন দক্ষতা, পণ্যের বৈচিত্র্য, কাঁচামালের সক্ষমতা, পরিবেশ ও শ্রমমান এবং ক্রেতাদের আস্থা— সবকিছু মিলিয়েই এখন প্রতিযোগিতা নির্ধারিত হচ্ছে। 

বৈশ্বিক শুল্কনীতিতে বড় পরিবর্তন

২০২৫ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা পোশাকের গড় শুল্ক ছিল ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ। কয়েক মাসের ব্যবধানে তা বেড়ে ৩৩ শতাংশে পৌঁছায়। পরে ২০২৬ সালের মে মাসে গড়ে তা কমে দাঁড়ায় ২১ দশমিক ৬ শতাংশে। কিন্তু গত ২৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র জোরপূর্বক শ্রম সংশ্লিষ্ট নতুন শুল্ক আরোপ করায় আবারও বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যের প্রতিযোগিতার চিত্র পাল্টে যায়। 

এই নতুন নীতির ফলে সব দেশের ওপর সমান প্রভাব পড়েনি। বরং কিছু দেশ তুলনামূলক সুবিধা পেয়েছে, আবার কিছু দেশ বড় ধরনের প্রতিযোগিতামূলক চাপের মুখে পড়েছে। 

বাংলাদেশের জন্য কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? 

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাক আমদানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় ৫৭৪ বিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে এই বাজারের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। 

২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি দাঁড়ায় ৮২০ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি মূল্য কমলেও বাংলাদেশের বাজার অংশীদারিত্ব বেড়ে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশে উন্নীত হয়। 

অর্থাৎ বাজার সংকুচিত হলেও বাংলাদেশ সেখানে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়েছিল। 

প্রতিযোগীদের অবস্থান কোথায়?

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী এখনও ভিয়েতনাম। ২০২৫ সালে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ হাজার ৬৭৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে এবং বাজারের ২১ দশমিক ৫ শতাংশ দখলে রেখেছে। 

অন্যদিকে একসময়কার শীর্ষ সরবরাহকারী চীনের রপ্তানি প্রায় ৩৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৪ কোটি ডলারে। বাজারে তাদের অংশীদারিত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। 

সবচেয়ে দ্রুত এগিয়েছে কম্বোডিয়া। দেশটির রফতানি বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামও প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। 

২০২৬ সালে বাজারের গতি কমেছে 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি মূল্য প্রায় ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে। পরিমাণের দিক থেকেও কমেছে প্রায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

এই সময়ে বাংলাদেশের রফতানি কমেছে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ, যা মোট বাজার সংকোচনের কাছাকাছি। তবে চীনের রপ্তানি কমেছে প্রায় ৪৩ শতাংশ, ভারতের ২৬ শতাংশ, পাকিস্তানের ১২ শতাংশ। 

অন্যদিকে বাজার সংকুচিত হলেও কম্বোডিয়ার রফতানি বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ভিয়েতনামেরও সামান্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। 

এ থেকেই বোঝা যায়, ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শুধু চীন নয়; বরং ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়াকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। 

নতুন শুল্কে বাংলাদেশের বড় সুবিধা 

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে নতুন শুল্ক কাঠামোয়। 

আগে বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও চীনের মধ্যে শুল্কের পার্থক্য খুব বেশি ছিল না। কিন্তু নতুন নীতিতে বাংলাদেশের মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

অন্যদিকে চীনের ওপর মোট শুল্ক প্রায় ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ, ভিয়েতনামের ওপর প্রায় ২৮ দশমিক ১ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ওপর কার্যকর শুল্ক চীন ও ভিয়েতনামের তুলনায় কম। 

শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, এই পার্থক্য আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ক্রয় সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক ব্র্যান্ডই এখন নতুন করে সরবরাহকারী নির্বাচন করছে। সেই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামো বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুযোগ তৈরি করেছে। বহু বছর পর বাংলাদেশের ওপর কার্যকর শুল্ক চীন ও ভিয়েতনামের তুলনায় তুলনামূলক কম হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের অর্ডার পুনর্বিন্যাসের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই সুযোগকে স্থায়ী প্রতিযোগিতামূলক সুবিধায় রূপ দিতে হলে শুধু কম শুল্কের ওপর নির্ভর করলে চলবে না।” 

তিনি বলেন, “বিশ্বের পোশাক বাজার দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন ক্রেতারা শুধু কম দামের পণ্য চান না; তারা নির্ভরযোগ্য সরবরাহ, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, শ্রম অধিকার নিশ্চিতকরণ, ট্রেসেবিলিটি এবং উচ্চমানের কমপ্লায়েন্সকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা, দক্ষ শ্রমশক্তি এবং টেকসই কারখানার সংখ্যা। এই শক্তিকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।” 

মহিউদ্দিন রুবেল আরও বলেন, “বাংলাদেশ এখনও তুলাভিত্তিক পোশাক রপ্তানির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। অথচ আন্তর্জাতিক বাজার, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ) ও উচ্চমূল্যের পোশাকের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তাই শিল্পকে এখনই পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে টেকনিক্যাল টেক্সটাইল, সিনথেটিক ফাইবার, উদ্ভাবনী পণ্য এবং মূল্য সংযোজনভিত্তিক উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।” 

তিনি বলেন, “সরকার ও বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে কাজ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য ট্যারিফ রেট কোটা (টিআরকিউ) বা অন্যান্য বাণিজ্য সুবিধা নিয়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বন্দর, জ্বালানি, কাস্টমস, লজিস্টিকস ও ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমিয়ে শিল্পের সামগ্রিক প্রতিযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।” 

তার ভাষ্য, “বর্তমান পরিস্থিতিকে আমি একটি ‘উইন্ডো অব অপরচুনিটি’ হিসেবে দেখি। এই সময়টিকে কাজে লাগিয়ে যদি আমরা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি আধুনিকীকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাজার বৈচিত্র্যকরণে বিনিয়োগ করতে পারি, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব হবে। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেরি হলে এই সুযোগ খুব দ্রুত অন্য প্রতিযোগী দেশগুলোর হাতে চলে যেতে পারে।” 

সামনে আরও বড় সুবিধার সম্ভাবনা

বর্তমানে আলোচনায় রয়েছে ট্যারিফ রেট কোটা (টিআরকিউ) ব্যবস্থা। এটি চালু হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্যের ক্ষেত্রে আরও কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হতে পারে। 

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহারকারী দেশগুলো অতিরিক্ত সুবিধা পেতে পারে। 

বাংলাদেশ যদি এই সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে কার্যকর শুল্ক আরও কমে গিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

তবে বড় দুর্বলতা রয়ে গেছে

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো পণ্যের ধরন। 

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া পোশাকের বড় অংশই ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ) বা কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক। 

২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানির প্রায় ৫৭ শতাংশ ছিল এই ধরনের পণ্য। 

কিন্তু বাংলাদেশের রফতানির বড় অংশ এখনও তুলাভিত্তিক পোশাক। মোট রফতানির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই কটননির্ভর।  

অন্যদিকে ভিয়েতনামের রফতানির বড় অংশই এমএমএফভিত্তিক, যা আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। 

ফলে শুধু কম শুল্ক দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা ধরে রাখা কঠিন হবে। 

বদলে যাচ্ছে মার্কিন ভোক্তাদের আচরণ

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা বাজারের পরিবর্তন। 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষ করে জেন-জি ক্রেতাদের মধ্যে সেকেন্ড-হ্যান্ড বা ব্যবহৃত পোশাকের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। 

ফলে নতুন পোশাকের চাহিদা আগের মতো বাড়ছে না। 

২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের খুচরা মূল্য বেড়েছে মাত্র ০ দশমিক ৩ শতাংশ, যেখানে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ছিল ২ দশমিক ৭ শতাংশ। 

একই সঙ্গে ভোক্তাদের মোট ব্যয়ের মধ্যে পোশাকের অংশও ধারাবাহিকভাবে কমছে। 

এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে উৎপাদক দেশগুলোর ওপর। আন্তর্জাতিক ক্রেতারা আগের তুলনায় কম দামে পণ্য কিনতে চাইছেন, ফলে উৎপাদনকারীদের মুনাফার ওপর চাপ বাড়ছে। 

কী করা উচিত বাংলাদেশের?

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে তিনটি বড় করণীয় রয়েছে। 

প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্যারিফ রেট কোটাসহ সম্ভাব্য বাণিজ্য সুবিধা দ্রুত নিশ্চিত করার জন্য কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক উদ্যোগ জোরদার করতে হবে। 

দ্বিতীয়ত, তুলানির্ভর উৎপাদনের পাশাপাশি দ্রুত ম্যান-মেড ফাইবার, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এবং উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। 

তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক শ্রমমান, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, ট্রেসেবিলিটি এবং কমপ্লায়েন্স আরও শক্তিশালী করতে হবে। কারণ, ভবিষ্যতের বাজারে এগুলো শুধু নৈতিকতার বিষয় নয়; বরং বাজারে প্রবেশের অন্যতম শর্ত হয়ে উঠছে। 

সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে ঝুঁকিও কম নয়

বাংলাদেশ এখন এমন একটি সময়ে দাঁড়িয়ে আছে, যখন সাময়িকভাবে প্রতিযোগীদের তুলনায় কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু এই সুযোগ দীর্ঘদিন থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। 

যদি দ্রুত উৎপাদন বৈচিত্র্য, প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বাজার কৌশলে পরিবর্তন আনা না যায়, তাহলে কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া কিংবা ভিয়েতনাম আবারও বাজার দখল করে নিতে পারে।  

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য একদিকে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে তেমনি বিরল এক সুযোগও এনে দিয়েছে। চীন ও ভিয়েতনামের তুলনায় তুলনামূলক কম শুল্কের সুবিধা কাজে লাগিয়ে যদি বাংলাদেশ দ্রুত কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দেশের অংশীদারিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। 

কিন্তু শুধু কম শুল্কের ওপর নির্ভর করলে হবে না। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পণ্যের বৈচিত্র্য, ম্যান-মেড ফাইবারে বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, টেকসই উৎপাদন এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করার মাধ্যমেই এই সাময়িক সুবিধাকে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যে রূপ দেওয়া সম্ভব। অন্যথায়, বৈশ্বিক শুল্কযুদ্ধের এই বিরল সুযোগও হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে।

/এসটি/ 
সম্পর্কিত
এক বন্দর দিয়ে দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫২ টন কাঁচা মরিচ
হরমুজ চুক্তি বিলম্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষলো ইরান
ইরানের সঙ্গে সারাদিন আলোচনা, শিগগিরই চুক্তির আশা ট্রাম্পের
সর্বশেষ খবর
সমুদ্রে নৌকা বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ১৮ জেলেকে উদ্ধার
সমুদ্রে নৌকা বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ১৮ জেলেকে উদ্ধার
কাতার থেকে তুরস্কে কার্যক্রম সরিয়ে নিচ্ছে হামাস
কাতার থেকে তুরস্কে কার্যক্রম সরিয়ে নিচ্ছে হামাস
বদলি নেমেই চমক দেখালেন নেইমার 
বদলি নেমেই চমক দেখালেন নেইমার 
এক বন্দর দিয়ে দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫২ টন কাঁচা মরিচ
এক বন্দর দিয়ে দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫২ টন কাঁচা মরিচ
সর্বাধিক পঠিত
পাকিস্তানে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
পাকিস্তানে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
মা-কে বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় কর্মীকে বরখাস্ত করলেন মালিক
মা-কে বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় কর্মীকে বরখাস্ত করলেন মালিক
আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডারকে পেতে দুই ক্লাবের লড়াই 
আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডারকে পেতে দুই ক্লাবের লড়াই 
অক্সফোর্ডের ভুয়া ডিগ্রি ও জালিয়াতি: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক এমপি প্রার্থীর কারাদণ্ড
অক্সফোর্ডের ভুয়া ডিগ্রি ও জালিয়াতি: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক এমপি প্রার্থীর কারাদণ্ড
‘১০০ শতাংশ’ দাবিতে ডাবরের মধু-ঘি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা
‘১০০ শতাংশ’ দাবিতে ডাবরের মধু-ঘি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা