রাজধানী ঢাকায় মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ-নেপাল বাণিজ্য সচিব পর্যায়ে বৈঠক শুরু হয়েছে। সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে সকাল ১০টা থেকে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘নেপালের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক। যার সুফল দুই দেশই ভোগ করছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ-নেপালের মধ্যে ট্রানজিট সুবিধা কার্যকরের পর সড়ক পথে যোগাযোগের সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।’
নেপালের বাণিজ্য সচিব নায়ন্দ্র প্রসাদ উপাধ্যায়া বলেন, ‘ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশ যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল নেপাল তা মনে রাখবে।’ দুই দিনের বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ-নেপালোর মধ্যে চলমান ব্যবসা বাণিজ্যে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা নিরসন হবে।
আরও পড়ুন: ব্যান্ডউইথ নেটওয়ার্কে আসছে দেশের ৭০ বিশ্ববিদ্যালয়
দুইদিনের এই বৈঠক আগামীকাল বুধবার শেষ হবে। এই বৈঠকে গৃহীত সিন্ধান্ত সমূহ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অবহিত করা হবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ-নেপাল বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হতে পারে। নেপালে বাংলাদেশি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি নেপালে উৎপাদিত জলবিদ্যুৎ বাংলাদেশে আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া নেপাল স্থল বেষ্টিত হওয়ায় বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে রেল এবং সড়ক পথে ট্রানজিটের মাধ্যমে পণ্য আমদানিতে নেপালের উৎসাহ রয়েছে।
গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে নেপালে বাংলাদেশ ২৫ দশমিক ০৫ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করে। বিপরীতে বাংলাদেশ নেপাল থেকে আমদানি করেছে ১১ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপালের মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং ট্রানজিট বাণিজ্য গড়ে তোলার লক্ষে গত বছরের ১৫ জুন যান চলাচল চুক্তি সই হয়েছে।
/এসআই/জেবি/এসটি/








