জীবাণুনাশক উৎপাদন করেছে কর্ণফুলী পেপার মিল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:৩২, মে ১০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৩৪, মে ১০, ২০২০

কর্ণফুলী পেপার মিল


দেশের করোনা পরিস্থিতিতে কারখানার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে জীবাণুনাশক ব্লিচ উৎপাদন শুরু করেছে কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম)। উৎপাদিত জীবাণুনাশক ব্লিচ হতে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও সরবরাহ করা হবে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে কেপিএমকে নির্দেশনা প্রদানের প্রেক্ষিতে কারখানাটি এ উদ্যোগ নিয়েছে। রবিবার (১০ মে) শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জীবাণুনাশক ব্লিচ উৎপাদনের জন্য ১৫ এপ্রিল হতে কারখানাটির অব্যবহৃত ব্লিচ উৎপাদনের প্লান্টটির সিভিল, মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল রক্ষণাবেক্ষণের কার্যক্রম শুরু হয়। ৩০ এপ্রিল এক ব্যাচে এক টন ক্যালসিয়াম হাইপো ক্লোরাইটের ব্লিচ লিকার উৎপাদন করা হয়। প্ল্যান্টটিতে পূর্বে পাল্প সাদা করার জন্য ব্লিচ উৎপাদন করা হতো। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, যানবাহন জীবাণুমুক্তকরনসহ কারখানার পরিবেশের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার কাজে এই জীবাণুনাশক ব্যবহৃত হচ্ছে।
কেপিএম'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ড. এম এম এ কাদের বলেন, কর্ণফুলী পেপার মিলস বর্তমানে আমদানিকৃত পাল্প ও রিসাইকেল পেপার হতে কাগজ উৎপাদন করছে। তিনি বলেন, গত তিন বছরের মধ্যে চলতি অর্থবছরে ৯ মে পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৮৫ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদিত হয়েছে। গত ২০১৭-'১৮ ও ২০১৮-'১৯ অর্থবছরে কাগজ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩১৮২ ও ৫৬৩৫ মেট্রিক টন। উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে সাড়ে সাত হাজার থেকে ৮ হাজার মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদিত হতে পারে বলে তিনি জানান।
ড. কাদের আরও বলেন, স্থানীয়ভাবে কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল কাঠের সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নিজস্ব বীজতলায় উৎপাদিত চারা রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় ২০১৭-'১৮ ও ২০১৮-'১৯ অর্থবছরে মোট তিন লাখের অধিক গাছের চারা কেপিএম'র পাহাড়ি এলাকা ও পতিত জমিতে রোপণ করা হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে আরও দেড় লাখ গাছের চারা রোপণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান।

/এসআই/এমআর/

লাইভ

টপ