ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে এবার দৃশ্যমানভাবে কঠোর অবস্থানে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঋণখেলাপির দায়ে ৮২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে—যা সাম্প্রতিক নির্বাচনের তুলনায় ব্যতিক্রমী নজির। তবে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে এখনও অন্তত ৩১ জন প্রার্থী নির্বাচনে থাকার সুযোগ পাচ্ছেন—এতে প্রশ্ন উঠেছে, এবার কি আদৌ ঋণখেলাপিদের পুরোপুরি ঠেকানো যাচ্ছে? এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদককে জানিয়েছিলেন, অন্তত শতাধিক ঋণখেলাপি ব্যক্তি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে বড় একটি অংশের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। এর মধ্যে ঋণখেলাপির দায়ে সরাসরি বাতিল হন ৮২ জন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনও ঋণখেলাপি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। সংশোধিত আইনে আরও বলা হয়েছে—নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি কেউ ঋণখেলাপি বা হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার দায়ে অভিযুক্ত হন, তাহলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল করার ক্ষমতাও রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ: আইনি ফাঁক নাকি শেষ আশ্রয়?
তবে এবারও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে ঢোকার পথ। জানা গেছে, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ দেখিয়ে অন্তত ৩১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। অতীতে অনেক ক্ষেত্রে ঋণের তথ্য গোপন করেই প্রার্থিতা বহাল রাখার অভিযোগ ছিল। ২০২৪ সালের নির্বাচনে এমন ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে বলে বিভিন্ন তদন্তে উঠে আসে।
এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল। ব্যাংকগুলোকে দেওয়া হয় বিশেষ দিকনির্দেশনা। এমনকি গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আদালতের স্থগিতাদেশ থাকলেও যেন ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন—সে বিষয়ে অবস্থান নেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, স্থগিতাদেশ থাকলেও সিআইবিতে খেলাপি হিসেবেই তথ্য থাকবে।
তবে বাস্তবতা হলো আইন পরিবর্তন ছাড়া এই অবস্থান পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, “আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে কেউ যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, আমরা সেটাই চেয়েছিলাম। কিন্তু এর জন্য আইন সংশোধন প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সে ক্ষমতা নেই।”
তিনি আরও বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট থেকে কেউ আইনি প্রতিকার পেলে সেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করণীয় খুব সীমিত।’’
জানা গেছে, আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় ৩১ জন প্রার্থী আপাতত খেলাপি তালিকার বাইরে রয়েছেন। এ ছাড়া বাকি ২ হাজার ৪৬১ জন প্রার্থী খেলাপিমুক্ত বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ঋণখেলাপির অভিযোগে জাতীয় পার্টির (একাংশ) নেতা ও কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনের প্রার্থী মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি ঋণখেলাপের কারণে আরও যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুজিবুর রহমান শামীম, জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম সরোয়ার, বাগেরহাট-২ আসনে এলডিপির প্রার্থী মো. হাসান ইমাম লিটু এবং ঢাকা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হক।
আরপিও অনুযায়ী, ঋণখেলাপি ব্যক্তিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় প্রার্থীদের দাখিল করা তথ্যের সঙ্গে ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনের মিল যাচাই করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এতে ঋণখেলাপি প্রমাণিত হলে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই ৮২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করবেন। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় প্রার্থিতা ফিরে পেতে তারা আপিল করতে পারবেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) থেকে আপিল গ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনে এসব আপিলের নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে।
প্রশ্ন রয়ে গেল
সব মিলিয়ে এবার মনোনয়ন যাচাইয়ে দৃশ্যমান কঠোরতা থাকলেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের সুযোগ থাকলে কি ঋণখেলাপিদের পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব?
আইন সংশোধন ছাড়া এ প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মিলছে না। তবে এটুকু নিশ্চিত—আগের যেকোনও নির্বাচনের তুলনায় এবার ঋণখেলাপিদের বিষয়ে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর নজরদারি ও সদিচ্ছা অনেক বেশি দৃশ্যমান।
আগামী দিনে আপিল ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই পরিষ্কার হবে—শেষ পর্যন্ত কতজন ঋণখেলাপি নির্বাচনের মাঠে টিকে থাকেন।
উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে টিকে গেলেন ৩১ প্রার্থী
ঋণখেলাপি হওয়ায় প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন বাতিল হলেও উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৈধতা পেয়েছেন মোট ৩১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ১৫ জন। এ ছাড়া রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, নাগরিক ঐক্য, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীরাও।
বিএনপি মনোনীত ১৫ প্রার্থী
উচ্চ আদালতের আদেশে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়া বিএনপির প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ আসনের কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৫-এর গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, টাঙ্গাইল-৪-এর মো. লুৎফর রহমান, ময়মনসিংহ-৫-এর মোহাম্মদ জাকির হোসেন, গাজীপুর-৪-এর শাহ রিয়াজুল হান্নান, মৌলভীবাজার-৪-এর মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, কুমিল্লা-৪-এর মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৭-এর রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা-৯-এর মো. আবুল কালাম, চট্টগ্রাম-২-এর সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৪-এর মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬-এর গোলাম আকবর খোন্দকার ও গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬-এর মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী এবং সিলেট-১ আসনের খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।
নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী
ঋণখেলাপির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিল হলেও আদালতের আদেশে বৈধতা পাওয়া নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ ও ঢাকা-১৮ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
স্বতন্ত্র ১১ প্রার্থী
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— যশোর-৫-এর মো. কামরুজ্জামান, ময়মনসিংহ-১০-এর মো. মুশফিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১-এর মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-এর এসএ কে একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫-এর কাজী নাজমুল হোসেন, কুমিল্লা-৯-এর ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক, চাঁদপুর-২-এর তানভীর হুদা, চট্টগ্রাম-৫-এর এসএম ফজলুল হক, নোয়াখালী-২-এর কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, সিলেট-৩-এর মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী এবং সিলেট-৫-এর মামুনুর রশীদ।
অন্যান্য দলের প্রার্থী
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মানিকগঞ্জ-২ আসনে এসএম আব্দুল মান্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাগেরহাট-১ আসনে মুজিবুর রহমান শামীম এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আলীও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে নির্বাচনে থাকার সুযোগ পেয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী অনেক প্রার্থীই অতীতে ঋণখেলাপি ছিলেন। তাদের কেউ কেউ ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ঋণ নিয়মিত করেছেন। তবে জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়া কিছু ঋণ নিয়মিত করা সম্ভব হয়নি। এ ধরনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা শেষ পর্যন্ত খেলাপি তালিকায় থেকে গেছেন।
সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি কোনও সদস্যের ঋণখেলাপি হওয়া বা মনোনয়নপত্রে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে নির্বাচন কমিশন তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল করতে পারবে।
এ বিষয়ে গত ২৯ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) একটি পরিপত্র জারি করে সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠিয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোনও প্রার্থী যদি ঋণখেলাপি কোনও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হন, তাহলেও তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য হবেন। পাশাপাশি মনোনয়ন বাছাই ও আপিল শুনানির সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “আমরা প্রার্থীদের ঋণের বর্তমান অবস্থা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিই। তবে যারা আদালতের মাধ্যমে খেলাপিমুক্ত হয়েছেন, সে বিষয়টি কমিশন বিবেচনা করবে।” তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করা ব্যক্তিদের তথ্য জানিয়ে দেওয়া।’’
মনোনয়ন বাতিল ৭২৩ প্রার্থীর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাই শেষে সারা দেশে ৩০০ আসনে মোট ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে এর মধ্যে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৭২৩টি বাতিল করা হয়। রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে এ সংক্রান্ত হিসাব প্রকাশ করে ইসি।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, দলভিত্তিক মনোনয়ন বাতিলের তালিকায় সবচেয়ে বেশি রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। স্বতন্ত্র হিসেবে ৩৩৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির (জাপা) ৫৯ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৯ জন, বিএনপির ২৫ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ২৫ জন, জামায়াতে ইসলামীর ১০ জন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বাকি বাতিল হওয়া প্রার্থীরা বিভিন্ন ছোট দলের।
ইসি জানিয়েছে, বিএনপির ক্ষেত্রে বাতিল হওয়া অনেক প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন জমা না দেওয়ায় বাদ পড়েছেন। ফলে তাদের একটি বড় অংশ বিদ্রোহী প্রার্থী বলে বিবেচিত হয়েছে।
ইসির তথ্যমতে, ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। সারা দেশে ৩০০ আসনে মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হলেও জমা পড়ে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২ হাজার ৫৬৮টি। এর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। অবশিষ্ট ৪৭৮ জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তি করা হবে আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নির্বাচনি প্রচার।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।









