সংস্কারে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের সঙ্গে ঐকমত্য, বিনিয়োগে জোর সরকারের

গোলাম মওলা, ব্যাংকক থেকে
১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:১১ আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:১১

অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, কর আদায় বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নীতিগত ঐকমত্য তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল তিতুমীর। একইসঙ্গে অর্থনীতিকে গতিশীল করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, বন্ধ কলকারখানা চালু এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে সরকার।

সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও আইএমএফের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভায় অংশ নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

রাশেদ আল তিতুমীর বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের জন্য সরকারের একটি রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত রূপরেখা রয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলে এর প্রতিফলন রয়েছে। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সংস্কার প্রস্তাবের সঙ্গে সরকারের পরিকল্পনার বেশ কিছু মৌলিক বিষয়ে মিল রয়েছে।

তিনি বলেন, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় কর আদায় বাড়ানো, সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় বৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি—এসব বিষয়ে সরকারের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগীদের লক্ষ্যগত মিল রয়েছে। সংস্কারের দায়িত্ব ও মালিকানা সরকারের হাতে থাকলে এসব উদ্যোগ টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

সরকারের এই পরিকল্পনার পাশাপাশি জ্বালানি খাতের বাড়তি ব্যয় সামাল দেওয়া, ব্যাংক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণকেও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।

সংস্কারের মালিকানা সরকারের হাতে

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনতে সরকার যে সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়েছে, তার মূল লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের পরামর্শের সামঞ্জস্য রয়েছে। এতে সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথ সহজ হতে পারে।

তার মতে, শুধু আন্তর্জাতিক সংস্থার পরামর্শ অনুসরণ করলেই সংস্কার কার্যকর হবে না। এর জন্য সরকারের নিজস্ব অগ্রাধিকার, রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং বাস্তবায়নের সক্ষমতা প্রয়োজন। সংস্কারের মালিকানা সরকার নিলে এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটলে তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, কর আদায় বাড়ানো, সামাজিক সুরক্ষার আওতা সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি একই সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে। এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি ছাড়া অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো কঠিন।

জ্বালানি ব্যয়ের চাপে বাড়তি অর্থায়নের প্রয়োজন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের ব্যয় বেড়েছে বলে জানান রাশেদ আল তিতুমীর। এ চাপ সামাল দিতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তার ভাষ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতির পর জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমাতে সরকার জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে পুরোপুরি সমন্বয় করেনি। ফলে বাড়তি ব্যয় সামাল দেওয়ার জন্য অর্থায়নের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

একইসঙ্গে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দিতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ ক্ষেত্রে পরিবার কার্ডের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষকে সহায়তা দেওয়ার কথা তুলে ধরেন তিনি।

রাশেদ আল তিতুমীর বলেন, আগের সরকারের সময়ে দারিদ্র্য বেড়েছে বলে বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও উল্লেখ রয়েছে। স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে পাঁচ বছরে দারিদ্র্যের হার প্রায় পাঁচ শতাংশ কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নেও অর্থায়নের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।

ব্যাংক খাতে আস্থা ফেরাতে পুনঃঅর্থায়ন

ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তাঁর মতে, আগের সরকারের সময়ে অনিয়ম ও ঋণসংক্রান্ত বিশৃঙ্খলার যে প্রভাব তৈরি হয়েছে, তার বোঝা এখন সাধারণ জনগণকে বহন করতে হচ্ছে।

ব্যাংক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক ব্যবস্থাকে পুনরুদ্ধারে পুনঃঅর্থায়নের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংস্থা আইএফসিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে না পারলে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কঠিন হবে। আর্থিক খাতের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি ঋণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন রাশেদ আল তিতুমীর। তিনি বলেন, অতীতে কর অব্যাহতি ও করসংক্রান্ত অনিয়মের কারণে সরকারের রাজস্ব আহরণ কমেছে। এতে একদিকে আর্থিক ঘাটতি বেড়েছে, অন্যদিকে সামাজিক সুরক্ষা ও উন্নয়ন খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ কঠিন হয়েছে।

তার মতে, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হলে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং কর আদায়ের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এতে উন্নয়ন ব্যয় ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির জন্য সরকারের নিজস্ব অর্থের জোগান বাড়বে।

বন্ধ কারখানা চালুতে ঋণাত্মক সুদে অর্থায়ন

বন্ধ কলকারখানা চালু করা এবং নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে সাত শতাংশ ঋণাত্মক সুদে অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাশেদ আল তিতুমীর। তবে এই অর্থায়নের আওতা, শর্ত ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, দেশে শিক্ষিত ও তরুণ বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে অনেক কলকারখানা বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে উৎপাদন বাড়ানো, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রবাসী শ্রমিক, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তা এবং আনুষ্ঠানিক খাতে নারীর অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করতে হবে।

কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে থাই বিনিয়োগের সম্ভাবনা

থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি জানান, থাই চেম্বারের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য কয়েকটি সম্ভাবনাময় খাত নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে কৃষিজাত পণ্য, ফল, দুগ্ধজাত পণ্য এবং হালাল খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে থাই বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আম, কাঁঠাল ও লিচুর মতো মৌসুমি ফলের প্রচুর উৎপাদন হলেও পর্যাপ্ত হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাবে অনেক পণ্য নষ্ট হয়। এতে কৃষকেরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন। এসব পণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে অপচয় কমানোর পাশাপাশি রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।

রাশেদ আল তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশের লক্ষ্য শুধু থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো নয়— বরং দুই দেশের উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার মধ্যে সংযোগ তৈরি করে সামগ্রিক বাণিজ্য বাড়ানো।

এ ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে যৌথ উৎপাদন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের উৎপাদিত উপকরণ ব্যবহার করে থাইল্যান্ডে মধ্যবর্তী পণ্য তৈরি এবং পরে চূড়ান্ত পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি করা যেতে পারে। আবার কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে এর বিপরীত ব্যবস্থাও গড়ে তোলা সম্ভব।

চট্টগ্রাম-রেনং সমুদ্র যোগাযোগে গুরুত্ব

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর ও থাইল্যান্ডের রেনং বন্দরের মধ্যে সামুদ্রিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান রাশেদ আল তিতুমীর। তাঁর মতে, দুই বন্দরের মধ্যে যোগাযোগ আরও কার্যকর করা গেলে পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

এ ছাড়া আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং আঞ্চলিক সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব (আরসিইপি) কাঠামোর সুবিধা কাজে লাগানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শুল্কসুবিধা কাজে লাগিয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির সুযোগ বাড়তে পারে।

কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, সামুদ্রিক যোগাযোগ এবং বঙ্গোপসাগরের মৎস্যসম্পদ আহরণসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও থাইল্যান্ডের আগ্রহ রয়েছে বলে জানান তিনি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন, রফতানি ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপদেষ্টা।

চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগে নজর

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বহুমুখী উৎস থেকে অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান রাশেদ আল তিতুমীর। এ ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, চীনের বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। জাপানের টয়োটা ও মারুবেনি করপোরেশনের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদলও বাংলাদেশ সফর করেছে। এ ছাড়া সিলিকন ভ্যালিভিত্তিক বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান প্লাগ অ্যান্ড প্লে এবং প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তার দাবি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নীতিগত ধারাবাহিকতার প্রত্যাশা থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। সরকার চায়, বিদেশি বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়ন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণকে সমন্বিত করে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের কাজ এগিয়ে নিতে।

রাশেদ আল তিতুমীর জানান, বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) এবং ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা বাড়ছে। এডিবি ইতিমধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তবে এসব অর্থায়ন ও বিনিয়োগের উদ্যোগ কত দ্রুত বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করবে প্রকল্প প্রস্তুতি, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায়।

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
উন্নয়ন প্রকল্পে বেসরকারি অনুদান-বিনিয়োগ বাড়াতে বিশ্বব্যাংকের নতুন উদ্যোগ
জ্বালানি ব্যয়ের চাপ সামলাতে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের সহায়তা চায় বাংলাদেশ
কর্মসংস্থান বাড়াতে সাশ্রয়ী এআই ব্যবহারের ওপর জোর বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
সর্বশেষ খবর
আরও ১৮ ফ্লাইট বাতিল, শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকা ৪৮৫১ যাত্রী
আরও ১৮ ফ্লাইট বাতিল, শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকা ৪৮৫১ যাত্রী
উন্নয়ন প্রকল্পে বেসরকারি অনুদান-বিনিয়োগ বাড়াতে বিশ্বব্যাংকের নতুন উদ্যোগ
উন্নয়ন প্রকল্পে বেসরকারি অনুদান-বিনিয়োগ বাড়াতে বিশ্বব্যাংকের নতুন উদ্যোগ
ভারতের সরকার বিরোধীদের উপর ক্ষোভ প্রকাশ তানিশার
ভারতের সরকার বিরোধীদের উপর ক্ষোভ প্রকাশ তানিশার
অস্ত্র দেখিয়ে আতঙ্ক, সুইট গ্রুপের প্রধানসহ গ্রেফতার ২
অস্ত্র দেখিয়ে আতঙ্ক, সুইট গ্রুপের প্রধানসহ গ্রেফতার ২
সর্বাধিক পঠিত
বিএনপির এমপির ছেলে-ভগ্নিপতি-ভাগনের বউ পেলেন সারের ডিলারশিপ, ডিসি বললেন ‘কমিটির তালিকা’ 
বিএনপির এমপির ছেলে-ভগ্নিপতি-ভাগনের বউ পেলেন সারের ডিলারশিপ, ডিসি বললেন ‘কমিটির তালিকা’ 
জয়ের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য, উঠে এলো আ.লীগ সরকারের সিদ্ধান্তের দুই অভিনেতার নাম
জয়ের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য, উঠে এলো আ.লীগ সরকারের সিদ্ধান্তের দুই অভিনেতার নাম
রাশেদ খাঁনের দুঃখ প্রকাশ 
রাশেদ খাঁনের দুঃখ প্রকাশ 
১০ বছর পর খুলছে ওসমানী উদ্যান
১০ বছর পর খুলছে ওসমানী উদ্যান
ভুলত্রুটির জন্য সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে রাজনীতি ছাড়লেন ছাত্রদল নেতা
ভুলত্রুটির জন্য সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে রাজনীতি ছাড়লেন ছাত্রদল নেতা