সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সকারের বৈঠক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০:৩৫আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:০৪

সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সকারের বৈঠক বাপেক্স ও আজারবাইজানের তেল-গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ‘সকার একিউএস ইন্টারন্যাশনাল ডিএমসিসি’র মধ্যে চলমান বিরোধ মীমাংসার জন্য রবিবার (২২ নভেম্বর) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সঙ্গে দেখা করে সকারের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। কিন্তু ওই  বৈঠক কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়।এ সময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও সকারের প্রতিনিধিদের কেউই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

এরআগে, গত ১৬ ডিসেম্বর তেল গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কোম্পানি বাপেক্সের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে যাওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল সকার। চিঠিতে কোম্পানিটি ক্ষতিপূরণ ও বকেয়া বাবদ প্রায় ১৪০ কোটি টাকা দাবি করে কোম্পানিটি।  

রবিবার অনুষ্ঠিত বৈঠক সূত্র জানায়, প্রতিমন্ত্রী সকারের প্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি নিষ্পত্তি করবে বাপেক্স।’ তাই সকারকে তিনি বাপেক্সের সঙ্গে আলোচনা করতে অনুরোধ জানান। একইসঙ্গে বাপেক্সর ব্যবস্থাপনা পরিচালককে সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠক সূত্র আরও জানায়, বাপেক্স ও সকারের চুক্তি অনুযায়ী একটি পজিশন পেপার (দুই পক্ষের অবস্থান) তৈরিও নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে খাগড়াছড়ির সেমুতাং-১, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ-৪ ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ-১—এই তিনটি গ্যাস কূপ খননের জন্য চুক্তি করে আজারবাইজানের সকারের সঙ্গে বাপেক্স।

চুক্তির পর কাজ শুরু করে ২০১৮ সালে খাগড়াছড়ির সেমুতাং-১ গ্যাস কূপখনন শেষে কোনও গ্যাস পায়নি সকার। কিন্তু বাপেক্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ তোলা হয়নি। সমস্যা শুরু হয় দুই নম্বর কূপখনন কাজ শুরু করার সময়। সেমুতাং থেকে বেগমগঞ্জ-৪-এর রিগ ও মালামাল নিয়ে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেয় সকার। কিন্তু বাপেক্সকে বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তারা বিলে অনুমোদন দেয়নি। একপর্যায়ে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বাপেক্স। সকার সবকিছু মেনেও নেয়। চুক্তি বাতিল করলে সকারকে যে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা তা দিতে চাচ্ছে না বাপেক্স। আর এ নিয়েই বিরোধে জড়িয়েছে দুই পক্ষ।

 

/এসএনএস/এমএনএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী