বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ উন্নয়ন-অগ্রগতিকে অব্যাহত রাখবে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে সরকার কাজ করছে। প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। সব পরিকল্পনা ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশকে কেন্দ্র করেই নেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে।
রবিবার (১২ মার্চ) ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট-২০২৩’ উপলক্ষে আয়োজিত জ্বালানি নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই নিতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুতায়ন এলাকাভিত্তিক উন্নয়নকে সম্প্রসারণ করেছে। ফলে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত হচ্ছে। এসময় তিনি প্রাকৃতিক গ্যাস, এলএনজি, এলপিজি, আগামী দিনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিকল্পনা, খনিজ কয়লা, জ্বালানি মিক্স, ক্লিন জ্বালানি, জ্বালানি সংরক্ষণ, জ্বালানির বহুমুখী উৎস ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক এ সংকটের সময়ে জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, তারা যে দামে জ্বালানি কিনছে, সে দামেই বিক্রি করছে। সরকার এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে— জ্বালানি খাতে আর কোনও ভর্তুকি দেওয়া হবে না। ক্রমান্বয়ে অ্যাডজাস্টমেন্টের দিকে এগিয়ে যাওয়া হবে।
মূল প্রবন্ধে সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, নাবায়ন যোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
বুয়েটের অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, জি ই গ্যাস পাওয়ার সাউথ এশিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপেশ নন্দ ও ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর বক্তব্য রাখেন।









