বিইআরসির পুরনো কমিশনের কাছে না পেরে নতুন কমিশনকে আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ বাড়াতে অনুরোধ করেছে তিতাস। গত বছর সেপ্টেম্বরে গ্যাসের দাম বাড়ানোর সময় এক চুলায় ৫৫ এবং দুই চুলায় ৬০ ঘনমিটার গ্যাসের ব্যবহার ধরে বিল নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখন তিতাস প্রায় ৫৩ হাজার ৭০০ চুলার ওপর ৬ মাসের গ্যাস ব্যবহারের পরিসংখ্যান হিসাব করে বলছে, একটি চুলা গড়ে ৯৭ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার করছে।
তিতাস নতুন গঠিত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) দেওয়া এক চিঠিতে বলেছে, ২০০৩ এপ্রিল থেকে বিইআরসি আদেশ নম্বর ২০২২/০৯-এর আগ পর্যন্ত এক চুলায় সর্বনিম্ন প্রকৃত গ্যাস ব্যবহার ৭৩ দশমিক ৪১ এবং দুই চুলায় ৭৭ দশমিক ৩৮ ঘনমিটার নির্ধারণ করা ছিল।
এর আগে ২০০০-২০০১ সালে গুলশান-বনানীর বিভিন্ন এলাকায় ১০০ আবাসিক গ্রাহকের ওপর জরিপ করে এক চুলায় ৮৭ দশমিক ০৫ ও দুই চুলায় ১১২ দশমিক ৪২ ঘনমিটার ব্যবহার নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু গত বছর দাম নির্ধারণের সময় এক চুলায় ৫৫ ও দুই চুলায় ৬০ ঘনমিটার গ্যাসের ব্যবহার ধরে দাম নির্ধারণ করে কমিশন। তখন তিতাস কোনও কথা না বললেও ওই কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এখন নতুন কমিশনের কাছে গ্যাসের ব্যবহার বাড়াতে বলছে তিতাস।
গত বছর সেপ্টেম্বর দাম বাড়ানোর পর চলতি বছর মার্চ পর্যন্ত দায়িত্বে ছিল আগের কমিশন। তিতাস তখন বিষয়টি মেনে নিলেও এখন বলছে, আবাসিক গ্রাহকরা বেশি গ্যাস ব্যবহার করছে।
প্রসঙ্গত, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) তিতাসের বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে গ্যাসের দাম বাড়ায়। ওই সময় তিতাসের মিটারযুক্ত গ্রাহকের বিল বিবেচনায় নেয় কমিশন। তিতাস তাদের চিঠিতে মিটারযুক্ত গ্রাহকের বিলের বিষয়টি উল্লেখ করেনি। পানি ফোটানো ছাড়াও শিল্প এলাকায় শ্রমিকরা সাবলেট থাকেন। ফলে তারা বারবার রান্না করার কারণে গ্যাস বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানায় তারা।









