এক ঘণ্টার অপেক্ষায় ২৬০ টাকার গ্যাস পেয়ে প্রাইভেট কার চালক লিয়াকত আলী বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ের অল ইন ওয়ান সিএনজি স্টেশনে ঝুম বৃষ্টির মধ্যে সিএনজি গ্যাস নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। প্রায় ১ ঘন্টা অপেক্ষার পর গ্যাস পেলেন এই চালক।
লিয়াকত আলীর সঙ্গে স্টেশনেই কথা হয়। তিনি বলেন, ‘গাড়িতে গ্যাস শূন্য ছিল। সাড়ে ৯টার দিকে এসে এখন গ্যাস পেলাম। বর্তমান যে সময় তাতে যে পরিমাণ টাকার গ্যাস পেলাম তাতেই আমি খুশি।’
তিনি আরও জানান, এর আগে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার গ্যাস পেয়েছেন। আজকে ২৬০ টাকার। যা পেযেছেন তাতে ‘আলহামদুলিল্লাহ’।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রেসার ভালো থাকলে ৬৫০ টাকার গ্যাস পাওয়া যায়। এখন যা আসলো তা দিয়ে কাজ চালানো যাবে।’
সরেজমিন দেখা যায়, ‘প্রাইভেট কারের সিরিয়াল থাকলেও নেই সিএনজির কোনও সিরিয়াল। সিরিয়াল না থেকে সরাসরি গ্যাস পেয়ে খুশি চালক আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমি ১২০ টাকার গ্যাস পেয়েছি। এতেই আমি খুশি।’
সিএনজি স্টেশনের বিক্রয় কর্মী ইলিয়াস আলী বলেন, ‘গত কয়েকদিনের চেয়ে আজ প্রেসার ভালো। গত কয়েকদিন তো খুবই বাজে অবস্থা ছিল। আমরা গ্যাসই দিতে পারিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ রকম গ্যাসের প্রেসার থাকলে তো ভালই হয়। কিন্তু থাকবে কি না তা নিয়ে সংশয় আছে।’
পাশের সিএনজি পাম্প সিটিতে প্রায় একই রকম অবস্থা। এখানে বড় সিরিয়াল নেই। প্রেসার ১০০/১২০। যারা গ্যাস নিতে আসছেন তারা কাঙ্খিত না পেলেও যা পাচ্ছেন তাতে খারাপ বলছেন না। প্রাইভেট কার চালক আনিসুর রহমান জানান, তিনি ২৫০ টাকার গ্যাস পেলেন। এই গ্যাস পাওয়াতে খুশি।
তিনি বলেন, ‘আজ তো গ্যাসের প্রেসার ভালো। গত মাসখানেকের বেশি সময় যা চলছে তাতে হাহাকার চলছে ‘
সিএনজি চালক ওহাব বলেন, ‘আজ গ্যাসের প্রেসার ভালো। গতকালও প্রায় একই রকম ছিল।’
এখানকার বিক্রয়কর্মী আরিফ হোসেন বলেন, ‘গতকাল আজ প্রেসার একটু ভালো। সিরিয়ালও তেমন নাই। সব মিলিয়ে ভালোই চলছে গত দুইদিন।’
এদিক খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিএনজি পাম্পগুলোতে গ্যাসের প্রেসার বেড়েছে। দীর্ঘ সারিও নেই। আগে ৩-৪ ঘণ্টা যে অপেক্ষা করতে হতো তা আর হচ্ছে না। ঘণ্টা খানেক অপেক্ষায় মিলছে গ্যাস। হাজীপাড়া স্টেশনে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশাল সারিও নেই। মহাখালীর অবস্থা একই রকম দেখা যায়।
ডেমরার রাসেল সিএনজি পাম্পেও বড় লাইন নেই বলে খবর পাওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবে গাড়ি সিএনজি গুলোতে গ্যাস দেয়া হচ্ছে। মানিকনগর, কমলাপুর, রায়েরবাগ এই এলাকার সিএনজিগুলোতে স্বাভাবিক ভাবে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দরের বিপরীতে সিএনজি পাম্পে বড় লাইন রয়েছে। তবে গ্যাস নিতে সর্বোচ্চ ঘন্টাখানেকের মধ্যে পাচ্ছেন চালকরা।
সিএনজি স্টেশনের বিক্রয়কর্মীরা জানান, গতকাল থেকে প্রেসার একটু বেড়েছে। তবে ওই রকম আশানুরূপ না। তবে যে প্রেসার আসছে তাতে এভাবে চললেও তারা সরবরাহ করতে পারবেন।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দেড় হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার, সুদের হার ৬ শতাংশ 







