ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে। কূপটি থেকে দৈনিক ১১ থেকে ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কূপটির উদ্বোধন করা হয়।
বিজিএফসিএলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৫টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের আওতায় তিতাস-২৮ নম্বর কূপটি খনন করা হয়েছে।
চীনের সিএনপিসি চুয়ানকিং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের (সিসিডিসি) সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় কূপটির খননকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর। প্রায় ছয় মাসের কাজ শেষে ২০২৬ সালের ১১ জুন এর খননকাজ সম্পন্ন হয়।
বিজিএফসিএল জানায়, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের গভীরতা ৩ হাজার ৬০১ মিটার (এমডি) বা ৩ হাজার ৪৭১ মিটার (টিভিডি)। কূপটির কমপ্লিশন কাজ শেষ হওয়ার পর ডিএসটি (ড্রিল স্টেম টেস্ট) ও প্রোডাকশন টেস্টিং সম্পন্ন করা হয়েছে।
কূপটি খনন ও সম্পন্ন করতে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। পরীক্ষার পর কূপটি থেকে দৈনিক ১১–১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনা পাওয়া গেছে।
বিজিএফসিএলের মতে, নতুন এই কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে দেশের সামগ্রিক গ্যাস সংকট কিছুটা কমবে। পাশাপাশি শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
কোম্পানিটি আরও জানায়, সরকারের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ১১টি কূপ খননের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ২০৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।









