সেকশনস

শান্তিচুক্তির ২৩ বছর

মূল শর্তগুলো বাস্তবায়ন হয়নি আজও, অভিযোগ পাহাড়িদের

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:৫৯

 

১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সন্তু লারমার অস্ত্র সমর্পণ (ফাইল ছবি)

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৩ বছরপূর্তি আজ,২ ডিসেম্বর। ১৯৯৭ সালের এই দিনে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি জনসংহতি সমিতির সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।

দিবসটি উপলক্ষে আলাদা আলাদা বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। পাহাড়িদের বিভিন্ন সংগঠনও বেশকিছু কর্মসূচি পালন করবে। এসব সংগঠনের অভিযোগ— শান্তিচুক্তির ২৩ বছর পূর্ণ হলেও এখনও চুক্তির অনেকগুলো শর্ত বাস্তবায়ন করেনি সরকার।

অপরদিকে সরকার বলছে, শান্তির জন্য অস্ত্র সমর্পণের শর্ত পাহাড়িরা বিগত ২২ বছরেও পূরণ করেনি। শান্তিচুক্তির এই দুই পক্ষের দাবি পরস্পরবিরোধী হলেও পাহাড়ে শান্তি যে পুরোপুরি ফেরেনি, তা এখনও বলা যায়।

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চুক্তি বাস্তবায়ন হলে পাহাড়ের হাতেই প্রশাসনিক দায়িত্ব থাকতো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আধা আধা। কারণ, গত ২৩ বছরে তিন জেলা পরিষদের বিধিমালাই হয়নি। বিধিমালা করার জন্য তাগাদা দেওয়া হলেও তা হয়নি।  গত এক বছর ধরে চুক্তি বাস্তবায়নের কোনও কাজই হয়নি।’ চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়টি নতুন করে  অগ্রাধিকার তালিকায় নিয়ে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে সাংবাদিক, লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘চুক্তি করা হয়েছে পাহাড়ে শান্তির জন্য। সেই শান্তি ফিরিয়ে আনতে চুক্তি বাস্তবায়ন করাই সকলের কাম্য। সরকার যত দ্রুত তা পূরণ করবে, তত দ্রুতই শান্ত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম।’

এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ২৩ বছরপূর্তি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে পার্বত্য এলাকার সব অধিবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার আধার বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি। যুগ যুগ ধরে পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বর্ণিল জীবনাচার, ভাষা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি এ অঞ্চলকে বিশেষভাবে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছে।’ তিনি বলেন, ‘পার্বত্য জেলাগুলোর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক উদ্যোগে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার  গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে পার্বত্য জেলাগুলোর দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটে। সূচিত হয় শান্তির পথচলা। শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিশ্বে এটি একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অঞ্চল। শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় গঠিত হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ। শান্তি চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অবকাঠামোসহ আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে।’ পার্বত্য জেলাগুলোর উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতি দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে পার্বত্য জেলাগুলোর জনগণ ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘদিনের সংঘাতময় পরিস্থিতি নিরসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ছাড়াই আওয়ামী লীগ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ব ইতিহাসে এটি একটি বিরল ঘটনা।’ তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জাতিগত হানাহানি বন্ধ হয়। অনগ্রসর ও অনুন্নত পার্বত্য অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয় শান্তি ও উন্নয়নের ধারা। ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার অর্জন এই চুক্তির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির স্মারক।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বপ্রথম আধুনিকতার ছোঁয়া বিবর্জিত পশ্চাদপদ পার্বত্য জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় ফিরিয়ে আনেন। পার্বত্যবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেন। আঞ্চলিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা ক্ষেত্রে পাহাড়ি ছাত্র-ছাত্রীদের সম-সুযোগ প্রদানের ব্যবস্থা নেন। এ লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালের জুন মাসে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোতে‌ পাহাড়ি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সুনির্দিষ্ট আসন সংরক্ষণের জন্য নির্দেশনা দেন।’

তিনি বলেন,  ‘৭৫-পরবর্তী অগণতান্ত্রিক সরকারগুলো পার্বত্য অঞ্চলের সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পরিবর্তে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বাঙালি-পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে।  খুন, অত্যাচার-অবিচার, ভূমি জবরদখল এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার এ অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারও ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে ঐতিহাসিক এই শান্তি চুক্তির চরম বিরোধিতা করে পার্বত্য অঞ্চলকে পুনরায় অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। তাদের এ হীন উদ্দেশ্য সফল হয়নি।’

প্রদানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন,  ‘২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আওয়ামী লীগ সরকার শান্তিচুক্তির আলোকে পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এ অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, অবকাঠামো, মোবাইল নেটওয়ার্কসহ সব খাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আমরা রাঙ্গামাটিতে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। ভূমি বিষয়ক বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বোর্ডের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আইন-২০১৪ প্রণয়ন করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘পার্বত্য অঞ্চলের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না, সেসব এলাকায় ১০ হাজার ৮৯০টি পরিবারের মধ্যে সোলার হোম সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। চার হাজার পাড়াকেন্দ্রের মাধ্যমে এ অঞ্চলের নারী ও শিশুদের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা ও শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের জন্য টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্যবাসীর স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে প্রায় ২ একর জমির ওপর ১৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি শৈল্পিক ও নান্দনিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে। পার্বত্য জেলাগুলোর নৈসর্গিক সৌন্দর্য সমুন্নত রাখা ও পর্যটন শিল্পের প্রসারেও আমরা নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে আজ পার্বত্য জেলাগুলো কোনও পিছিয়ে পড়া জনপদ নয়। দেশের সার্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এ অঞ্চলের জনগণ সমঅংশীদার। ’

তিনি বলেন,  ‘আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সর্বত্র শান্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। আমি আশা করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা জাতির পিতার সুখী-সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।’

পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

শান্তিচুক্তির শর্তগুলো এখনও সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়নি এমন অভিযোগ সব সময়ই করে যাচ্ছে পাহাড়ি সংগঠনগুলো। চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এর প্রতিবাদে  বুধবার (২ ডিসেম্বর) তিন পার্বত্য জেলাসহ রাজধানীতে আলোচনা সভা, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের আয়োজন করেছে সংগঠনগুলো।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ও দিবসটি উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করবে। বুধবার সকাল ৮টায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে। এ সময় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, সচিব সফিকুল আহম্মদ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ে একটি আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়েছে।

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে সরকার

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে সরকার

‘ই-নামজারি ও মিসকেস মামলার শুনানি হবে ভিডিও কনফারেন্সে’

‘ই-নামজারি ও মিসকেস মামলার শুনানি হবে ভিডিও কনফারেন্সে’

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, এশিয়ানের শিক্ষার্থী বহিষ্কার

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, এশিয়ানের শিক্ষার্থী বহিষ্কার

বন্ধুদের নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বন্ধুদের নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ফ্রান্সে গিয়ে জড়ালো জঙ্গিবাদে!

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ফ্রান্সে গিয়ে জড়ালো জঙ্গিবাদে!

নাসিরনগরে ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবেদনে গরমিল, ১৩ জনকে তলব

নাসিরনগরে ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবেদনে গরমিল, ১৩ জনকে তলব

চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ৩২৯০

চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ৩২৯০

দেশের শেয়ার বাজারের উন্নয়নে কাজ করবে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ

দেশের শেয়ার বাজারের উন্নয়নে কাজ করবে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ

‘আন্তর্জাতিক বাজারে অদক্ষ কর্মীর চাহিদা কমে আসছে’

‘আন্তর্জাতিক বাজারে অদক্ষ কর্মীর চাহিদা কমে আসছে’

সেদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক হ্রাস

সেদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক হ্রাস

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনসহ অন্য দেশগুলোর আরও সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনসহ অন্য দেশগুলোর আরও সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ

সর্বশেষ

আমার এ জয় পা-ফাটা সাধারণ মানুষের বিজয়: মেয়র লিলি

আমার এ জয় পা-ফাটা সাধারণ মানুষের বিজয়: মেয়র লিলি

নীলফামারীজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, হাসপাতালে বাড়ছে রোগী

নীলফামারীজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, হাসপাতালে বাড়ছে রোগী

বাউফলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বাউফলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

আগুন তাপাতে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারী দগ্ধ

আগুন তাপাতে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারী দগ্ধ

উপজেলা পরিষদকে কার্যকর করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

উপজেলা পরিষদকে কার্যকর করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বৃহত্তর চান্দগাঁও-মোহরাকে আধুনিক উপশহর করার প্রতিশ্রুতি ডা. শাহাদাতের

বৃহত্তর চান্দগাঁও-মোহরাকে আধুনিক উপশহর করার প্রতিশ্রুতি ডা. শাহাদাতের

হকারদের সুস্পষ্ট নীতিমালা করে পুনর্বাসন করা হবে: রেজাউল করিম চৌধুরী

হকারদের সুস্পষ্ট নীতিমালা করে পুনর্বাসন করা হবে: রেজাউল করিম চৌধুরী

কাউকেই নির্বাচনি সহিংসতা ঘটাতে দেওয়া হবে না: সিএমপি কমিশনার

কাউকেই নির্বাচনি সহিংসতা ঘটাতে দেওয়া হবে না: সিএমপি কমিশনার

নীলফামারীতে পৃথকভাবে ৩৫০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

নীলফামারীতে পৃথকভাবে ৩৫০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

জোহরা আলাউদ্দিন এমপি করোনায় আক্রান্ত

জোহরা আলাউদ্দিন এমপি করোনায় আক্রান্ত

ইয়াবা ও ফেনসিডিল উদ্ধার, কারবারি গ্রেফতার

ইয়াবা ও ফেনসিডিল উদ্ধার, কারবারি গ্রেফতার

কলাবাগানে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সহপাঠীদের দেয়াল লিখন

কলাবাগানে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সহপাঠীদের দেয়াল লিখন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে সরকার

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে সরকার

চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ৩২৯০

চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ৩২৯০

সেদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক হ্রাস

সেদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক হ্রাস

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনসহ অন্য দেশগুলোর আরও সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনসহ অন্য দেশগুলোর আরও সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ

দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব

দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব

দক্ষিণাঞ্চলের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে

দক্ষিণাঞ্চলের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে

অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে: অর্থমন্ত্রী


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.