হিটলারের উদ্ধৃতিকে সমর্থন: ক্ষমা চাইলেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য

বিদেশ ডেস্ক
১০ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৫৮আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২১, ১২:৫৭
image

জার্মানির সাবেক একনায়ক অ্যাডল্ফ হিটলারের একটি উদ্ধৃতিকে সঠিক বলে উল্লেখ করার পর তুমুল সমালোচনার মুখে ক্ষমা চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ের রিপাবলিকান রিপ্রেজেন্টেটিভ ম্যারি মিলার। ডেমোক্র্যাটরা তার পদত্যাগের দাবি তোলার পর শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) ক্ষমা চান তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ৫ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে রক্ষণশীল গোষ্ঠী মমস ফর আমেরিকা আয়োজিত ‘সেভ দ্য রিপাবলিক’ নামক সমাবেশে অংশ নেন মিলার। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “প্রতিটি প্রজন্মের দায়িত্ব হলো তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া। কতিপয় নির্বাচনে জিতে গেলেও যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা আমাদের বাচ্চাদের হৃদয় ও মন জিততে পারব, ততক্ষণ আমরা পরাজিতই হতে থাকব। এ এক যুদ্ধ। একটি বিষয়ে হিটলার সঠিক ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘যাদের কাছে তরুণ প্রজন্ম আছে, তাদেরই ভবিষ্যত আছে।’ আমাদের বাচ্চাদের মাঝে প্রপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।”  

মিলারের এ বক্তব্যের পর তার বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হয় ডেমোক্র্যাটরা। ইলিনয়ের গভর্নর ও ডেমোক্র্যাট নেতা জে.বি প্রিৎজকার ৬ জানুয়ারি সাংবাদিকদের বলেন, মিলারের বক্তব্য খুব জঘন্য ও নিন্দনীয়। হিটলার কতটা ভুল ছিলেন তা জানতে হলে এ রিপাবলিকান নেতার ইলিনয়ে হলোকাস্ট মিউজিয়াম পরিদর্শন করা দরকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এমন অবস্থায় শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে কংগ্রেসওম্যান ম্যারি মিলার বলেন, ‘আমার বক্তব্যের কারণে যদি কোনও ক্ষতি হয়ে থাকে তবে এর জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মের ওপর বহিরাগত শক্তি প্রভাবজনিত ঝুঁকির কথা বোঝাতে গিয়ে ইতিহাসের ঘৃণ্যতম একনায়কের একটি উদ্ধৃতি ব্যবহার করেছি, এর জন্য আমি অনুতপ্ত।’

/এফইউ/বিএ/
সম্পর্কিত
ইরান-মার্কিন সমঝোতায় মধ্যস্থতা করে কী পেলো পাকিস্তান
ইরান পুনর্গঠনে ৩০ হাজার কোটি ডলার আসবে কোথা থেকে
এবার কি ট্রাম্পের রোষানলে পড়ছে ইউরোপ
সর্বশেষ খবর
বিজয় এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম ট্রেন চলাচল বন্ধ
বিজয় এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম ট্রেন চলাচল বন্ধ
বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি ঘাটতি নেই, গ্রাহকরা বলছেন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়
বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি ঘাটতি নেই, গ্রাহকরা বলছেন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়
কবিতায় হেমন্তের ঘ্রাণ ।। পর্ব—৬
পোলিশ আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবকবিতায় হেমন্তের ঘ্রাণ ।। পর্ব—৬
সংবিধান সংশোধনের পথেই হাঁটছে বিএনপি, কী করবে জামায়াত 
সংবিধান সংশোধনের পথেই হাঁটছে বিএনপি, কী করবে জামায়াত 
সর্বাধিক পঠিত
‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ জানেন না অনেকেই, সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ জানেন না অনেকেই, সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বিষয়ে সতর্ক করলো বিআরটিএ
মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বিষয়ে সতর্ক করলো বিআরটিএ
মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা
মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা
১৩ বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরলেন ওয়াহিদুজ্জামান
১৩ বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরলেন ওয়াহিদুজ্জামান
মির্জা আব্বাসের সংসদে ফেরা নিয়ে প্রশ্ন
মির্জা আব্বাসের সংসদে ফেরা নিয়ে প্রশ্ন