জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান ১৩ বছর পর পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি অধ্যাপক পদেও পদোন্নতি পেয়েছেন। এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান বর্তমানে বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। যোগদানের বিষয়টি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিজেই জানিয়েছেন।
২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর ফেসবুকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে ‘অশ্লীল ও মানহানিকর’ উক্তি করার অভিযোগে সহকারী অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ওই সময় তাকে এ সংক্রান্ত মামলায় কারাগারেও যেতে হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই সময় জানিয়েছিল, ফৌজদারি মামলার দায়ে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার এবং কারাগারে সোপর্দ করায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) সংবিধি-৮এর ১০(৪) ধারা মোতাবেক একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এরপর ২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বরে তাকে চাকরিচ্যুত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
একেএম ওয়াহিদুজ্জামান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। গত ১৪ জুন তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক পদে যোগদান করেছেন বলে ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।
এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য লুৎফর রহমান গণমাধ্যমে বলেছেন বলেন, ওয়াহিদুজ্জামান বিগত সরকারের সময়ের বৈষম্যের শিকার। এ কারণে প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিতে তাকে অধ্যাপক পদে পুনর্নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপকসহ ৩ জন বরখাস্ত






