চট্টগ্রামে যুবক হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক পাঁচ অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবার (১৯ মে) তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতলপুর এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম আবদুল মালেক (২৮)। তিনি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. শওকত ওসমান জানিয়েছেন, ‘মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযুক্তদের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে চট্টগ্রাম আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক শহীদুল্লাহ কাওসার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
এর আগে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ আবদুল মালেক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পাঁচ জনকে আটক করে। অভিযুক্তরা হচ্ছেন, কামরুল হোসেন শ্যাম (১৮), জামান (২৪), ফোরকান (২০), নুরুল আলম (২৮) ও খায়ের আহমেদ (৫০)।
সীতাকুণ্ড থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দিন জানান, একটি পানির পাম্প কারখানার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। গত মঙ্গলবার ওই কারখানা থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরি গেলে সিসিটিভি’র ফুটেজ দেখে মালেককে সন্দেহ করা হয়। এরপর তাকে বাগুলা বাজারে অবস্থিত তার বাড়ি থেকে ওই রাতে কারখানায় ডেকে আনা হয়। এসময় মালেক চুরির কথা অস্বীকার করলে ১০-১২ জন মিলে তাকে বেদম মারধর করেন। প্রতিষ্ঠানটির মালিকের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। তাদের মারধরে ঘটনাস্থলেই মালেকের মৃত্যু হয়।
পরদিন সকালে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে এবং ৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
আরও পড়ুন:
অন্তত ৭ অপরাধে সেলিম ওসমানের বিরেুদ্ধে অভিযোগ আনা যেতে পারে
৬ জঙ্গিকে ধরিয়ে দিতে ডিএমপির ১৮ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
আমার গালে থাপ্পড় মেরেছেন সেলিম ওসমান: শ্যামল কান্তি ভক্ত
/এসএ/এপিএইচ/







