খুলনা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, জঙ্গিবাদ এবং উগ্রবাদ কেবলমাত্র আইন-শৃঙ্খলাজনিত সমস্যা নয়।এ সমস্যা কেবলমাত্র আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় এ বাস্তবতা বুঝতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তাছাড়া যে কোনও ঘটনা ঘটলেই অথবা যে কোনও ধরনের নৈরাজ্যকর সন্ত্রাসী ঘটনার ক্ষেত্রেও সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সঙ্গে সঙ্গে এ সমব ঘটনার দায় বিএনপি জামায়াতের ওপর চাপানো হচ্ছে। আর এর অপরিণামদর্শী পরিণতিই হচ্ছে ঢাকা গুলশান আর্টিজান রেস্তোরাঁ এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় সংগঠিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।
গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার খুলনা জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৃথক শোক সমাবেশে বক্তারা এ সব কথা বলেন।
মহানগর বিএনপির সমাবেশে মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও জেলা কমিটির সমাবেশে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট গাজী আব্দুল বারী সভাপতিত্ব করেন।
সমাবেশে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দেশি বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে হত্যার ঘটনা এটাই প্রথম। কিন্তু, এটি যে শেষ নয় সে আশংকা রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ সচেতন সকল নাগরিকের। এ প্রেক্ষাপটে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই ধরনের জাতীয় সমস্যাকে সমাধানে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেও জনবিচ্ছিন্ন অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী বর্তমান সরকার সেটিকে গুরুত্ব না দিয়ে গণতান্ত্রিক দোষারোপের রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। যার ফলে সমস্যা সমাধানে সরকারের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে। জঙ্গি সমস্যা জিইয়ে রেখে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার যড়যন্ত্রে সরকার লিপ্ত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।
এসময় খালেদা জিয়ার আহবানে জাতীয় ঐক্যের ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান বক্তারা। একই সঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা ও বিরোধী দল দমনে হামলা মামলা ও বিচার বহির্ভূত হত্যা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
/টিএন/
আরও পড়ুন:
ফেসবুকে এখনও নিয়ন্ত্রণহীন সব ‘জিহাদি পেজ’
সংবাদমাধ্যম আমার বক্তব্য বিকৃতভাবে ব্যবহার করেছে: জাকির নায়েক
নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, স্বামীসহ গ্রেফতার
প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
হলি আর্টিজান থেকে উদ্ধার হওয়া সবাই নজরদারিতে








