থমকে আছে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ

আবদুল আজিজ
১৪ জুলাই ২০১৬, ১৮:২৮আপডেট : ১৪ জুলাই ২০১৬, ২১:০৮

প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষে বরাদ্দের অভাবে থমকে আছে কক্সবাজারে নির্মাণাধীন দেশের একমাত্র জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ। প্রায় ৬৭ কোটি টাকা ব্যয়ে গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে চলতি বছরে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণ কাজের জন্য বরাদ্দ না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট
কক্সবাজার গণপূর্ত অধিদফতর সূত্র জানায়, ২০১২ সালে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেঁচার দ্বীপের রেজুর ব্রিজ সংলগ্ন বনবিভাগের বিশাল বনভূমিতে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন পেঁচার দ্বীপের প্রায় ৪০ একর ভূমিতে এ বিশাল ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হচ্ছে।

এর আগে, ২০১৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইস্টিটিউটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৬৭ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দে গণপূর্ত অধিদফতর এই গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সূত্র জানায়, প্রথম পর্যায়ে তিন তলা ল্যাব ভবন, একটি রেস্টহাউজ, মহাপরিচালকের বাসভবন, একটি ‘সিএসও’ এবং ‘পিএসও’ ভবন, তিনটি ‘এসএসও’ এবং ‘এসএস’ ভবন, দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের জন্য একটি ৫তলা ভবন, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মকর্তাদের জন্য একটি ৫ তলা ভবন, একটি দোতলা ব্যাচেলর অফিসার্স হোস্টেল ভবন, একটি স্টাফ হোস্টেল ভবন, তিন তলা ক্লাব ভবন ও আনসার ব্যারাক ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া সীমানা প্রাচীর, আভ্যন্তরীণ পানি নিষ্কাশনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ কাজও শেষ হয়েছে।

কক্সবাজার গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিন মিয়া বলেন, প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ কাজ শেষ। বরাদ্দ পেলে দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি মেরিন আ্যাকোয়্যারিয়ামসহ আরও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শুরুতে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইস্টিটিউটের গবেষণা ভবন, ক্যাডেট স্কুল ভবন, শিক্ষার্থী ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক কোয়াটার, রেস্ট হাউজ ও আনসার ব্যারাক ভবনের নির্মাণ কাজ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের বিভিন্নমুখী চাহিদা মেটানোর জন্য সমুদ্র সম্পদের উপর গবেষণা তথা সমুদ্র সম্পদ সনাক্তকরণ, আহরণ এবং বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার এই ইনস্টিটিউট নির্মাণ করছে। এছাড়াও সমুদ্রকে জাতীয় সম্পদে পরিণত করতে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইস্টিটিউট বিরাট অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন: জঙ্গিদের হুমকির দুদিন পর কাপাসিয়ায় স্কুলে ককটেল বিস্ফোরণ  

/এমও/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম