‘টাকার জন্য লাশ নিতে পারছে না সাগরের পরিবার’ বাংলা ট্রিবিউনে এ সংবাদ প্রকাশের পর অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতার হাত বাড়ান। সহযোগিতা পেয়ে অবশেষে সাগর বর্মনের (১০) লাশ নারায়ণগঞ্জে আনা হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সাগরের লাশ প্রথমে রূপগঞ্জে তারাব পৌরসভার দিঘীবরাব এলাকায় আনা হয়। পরে সেখান থেকে লাশ নেওয়া হয় বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দন শশ্মানঘাটে। সেখানেই তাকে দাহ করা হবে।
সোমবার রাত সোয়া ৭টায় সাগরের বড় ভাই রিপন বর্মণ জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ লাশ থাকা সময়ে বেশ কিছু টাকা প্রয়োজন ছিল। পরে আমার বাবা রতন বর্মণ সেখানে ছিল। তাকে কয়েকজন আর্থিক সহযোগিতা করেছিল। পরে খরচ মিটিয়ে গাড়ি ভাড়া করে লাশ নারায়ণগঞ্জে এনেছি। দাহ করতেও কিছু টাকার প্রয়োজন ছিল। সব জোগাড় হয়েছে।
উল্লেখ্য, রূপগঞ্জ উপজেলার যাত্রামুড়ায় ‘জোবেদা টেক্সটাইল’ মিলে রবিবার দুপুরে শ্রমিক সাগর বর্মণের (১০)পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় রাতেই একটি মামলা হয়। এতে চারজনকে অভিযুক্ত করা হয় যাদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার বিকাল ৪টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় সাগর বর্মণ। পরে লাশ ওই হাসপাতালের মর্গেই রয়েছে।
পরে তার পরিবারের লোকজন জানান,আমরা একেবারেই গরিব। লাশ আনবো সে টাকাও জোগাড় করতে পারছি না।
/এআর/
আপ: এইচকে
আরও পড়ুন: টাকার জন্য লাশ নিতে পারছে না সাগরের পরিবার








