রামপাল তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের কয়লা সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে পরিবহনে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি সংক্রান্ত সমীক্ষা প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছে। সমীক্ষা প্রতিবেদনে সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে কয়লা পরিবহনের জন্য ৩টি নৌপথ ব্যবহার ও ১৩টি নির্দেশনার মেনে চলার সুপারিশ করা হয়েছে। ৩টি ধাপে এই সুপারিশ বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি পশুর নৌপথে কয়লা পরিবহনে জীববৈচিত্র্যসহ ডলফিনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানি লি. (বিআইএফপিসিএল) এর ব্যবস্থাপনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর উজ্জল ভট্টাচার্য ও সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস -এর ডিইডি মালেক খান। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক ও বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদনে সুপারিশকৃত নৌপথ ৩টি হচ্ছে- পশুর নৌপথ (ফেয়ারওয়ে থেকে হিরণপয়েন্ট-আকরাম পয়েন্ট-হাড়বাড়িয়া-মংলা হয়ে রামপাল), শেবসা নৌপথ (ফেয়ারওয়ে থেকে হিরণপয়েন্ট-আকরাম পয়েন্ট-চুনকুরি-চালনা হয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র)ও মোংলা-ঘাষিয়াখালী নৌপথ (ফেয়ারওয়ে বয়া থেকে বলেশ্বর, ঘাষিয়াখালী-মোংলা-পশুর-মোংলা বন্দর হয়ে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র)।
এপিএইচ/
আরও পড়ুন:
মানবতাবিরোধী অপরাধ নয়, কিস্তি না দেওয়ায় সাঈদীর প্লট বাতিল








