বরগুনায় এক শিক্ষার্থীকে অপহরণের দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন এবং তিন জনকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. জুলফিকার আলী এই রায় দেন। তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত।
১ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম মামুনকে ১ লাখ টাকা জরিমানাসহ যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া, মামুনের বোন ইরানী আক্তারসহ তাদের সহযোগী বাদল এবং রুবেলকে ১৪ বছরের জেল ও ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৭ মে শারমিন আক্তার নিপা নামের ৯ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় মামুন ও তার বাহিনী। এ ঘটনায় নিপার বাবা মহিউদ্দিন মকবুল বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় মামুনসহ ৭জনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে।
রাষ্টপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান, এপিপি আশ্রাফুল আলম শিল্পী ও এপিপি সঞ্জিব দাস। আসামী পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী আ. আজিজ।
অপহৃত শিক্ষার্থীর বাবা ও মামলার বাদী মহিউদ্দিন মকবুল জানান, মামলার রায়ে আমরা খুশি হয়েছি। শুধু আমার মেয়েই নয়, সমাজে সকল নারীর চলাচল নির্বিঘ্ন করতে এই রায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী আ. আজিজ জানান, আমাদের দৃষ্টিতে মামলার সঠিক বিচার হয়নি। মক্কেলের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।
/এমএসএম/








