বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় চার্জশিট দেওয়ার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) পৃথকভাবে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুবদল মিছিল বের করলে তা পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এসময় পুলিশ ব্যানার কেড়ে নিলে এবং মিছিলের ওপর চড়াও হলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পৃথকভাবে অন্তত ১১জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে পুলিশ বলছে, জনস্বার্থ বিঘ্নিত করে সমাবেশ করায় নেতাকর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় শহরের ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকা থেকে জেলা যুবদল বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি আলী আহাম্মদ চুনকা পৌর মিলনায়তনের সামনে এলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জেলা যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন আহত হন। পরে পুলিশ জেলা যুবদলের ব্যানার কেড়ে নিয়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
যুবদলের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ প্রচার সম্পাদক ও জেলা যুবদলের নেতা মো. রুহুল আমিন শিকদার, যুবদল নেতা জাকির হোসেন বাবুল, জুয়েল আহমেদ, মাসুদুর রহমান, নুরে ইয়াসিন নভেল, ইসমাইল খাঁন প্রমুখ।
ওই ঘটনার পর বিকাল সাড়ে ৩টায় শহরের জিমখানা থেকে মিছিল বের করে মহানগর যুবদল। এ মিছিল মন্ডলপাড়া এলাকায় এলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় পুলিশ ব্যানার কেড়ে নেয়। নেতাকর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। পুলিশের ধাওয়ায় আহত হন খোরশেদ, যুবদল নেতা জুলহাস, মনির, আল আমিন, ইউনুছ খান বিপ্লব, পিন্টু ,আফতাব, সুমন, শহীদ, বিএনপি নেতা ভাসানী প্রমুখ।
মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ১৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছিলাম। এসময় পুলিশ বিনা উসকানিতে আমাদের ওপর হামলে পড়ে। তারা অহেতুক লাঠিচার্জ করে অস্ত্র দিয়ে নেতাকর্মীদের পেটায়। এতে আমাদের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, ‘যুবদল জনস্বার্থ বিঘ্নিত করে সমাবেশ করছিল। এর জন্যই তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন-








