কেন্দ্র থেকে স্বেচ্ছায় বিবাহিত নেতাদের পদ ছাড়ার নির্দেশনা সত্ত্বেও বগুড়ায় ছাত্রলীগের জেলা ও এর অধীন সাংগঠনিক ২০ শাখা কমিটির বিবাহিত নেতারা এখন পদত্যাগ করেননি। শুধু তাই নয়, পদ ধরে রাখতে নিজেদের বিয়ের কথাও গোপন রাখছেন তারা। দায়িত্বশীল নেতারা বিষয়টি জানলেও অনুসারী বা সমর্থক হারানোর ভয়ে প্রকাশ করছেন না এসব তথ্য। তবে বিবাহিতদের কমিটি থেকে পদত্যাগে কেন্দ্রের নির্দেশনা নিয়ে তাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা ছাত্রলীগের ও এর অধীন সাংগঠনিক কমিটিগুলোর কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর জেলা ছাত্রলীগের ১৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটির সহ-সম্পাদক ইতি, সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদ আল হাসান জুয়েল, গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক রাহিমুল হাসান জিম, শাজাহানপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জুলকার নাইন, শেরপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর, নন্দীগ্রাম উপজেলার সভাপতি আবু সাঈদ, আদমদীঘি উপজেলা সভাপতি সুমনসহ আরও বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা বিবাহিত। তবে তাদের সবাই-ই বিয়ের তথ্য গোপন রেখেছেন।
বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুর রাজ্জাক তিতাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গত বুধবার (১২ জুলাই) ৪৮ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কমিটিতে থাকা বিবাহিতদের পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পদ ধরে রাখতে কেউ বিয়ের কথা প্রকাশ করেননি এবং করছেন না। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কে বিবাহিত, তা বলা সম্ভব নয়।’ তবে জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েলসহ কয়েকটি উপজেলা শাখার নেতাদের বিয়ের কথা স্বীকার করে নেন তিনি।
নাইমুর রাজ্জাক আরও বলেন, ‘বিবাহিতদের পদত্যাগ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে কারা বিবাহিত, সেই খোঁজা নেওয়া হচ্ছে। কাউকে পেলে তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।’ চলতি জুলাই ও আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আটটি উপজেলার সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বিবাহিত নেতা বাংলা ট্রিবিউনের কাছে স্বীকার করেন, কেন্দ্র থেকে পদত্যাগের নির্দেশে আতঙ্কে রয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন-
হিলি সীমান্তে সিসি ক্যামেরা ও সার্চলাইট স্থাপনের কাজ শেষ
/এসএসএ/টিআর/








