সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পর্যটক বেড়েছে নয়নাভীরাম সৌন্দার্যের বেলাভূমি কুয়াকাটায়। বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করেও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার ভ্রমণ পিপাসু পর্যটক পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দ উপভোগ করতে ছুটে এসেছেন সাগর কন্যা খ্যাত সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায়।
হোটেল-মোটেল ও ডাকবাংলো পর্যটকদের আগমনে পরিপূর্ণ। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের লীলাভূমি সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা পর্যটকের পদচারণায় উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের পদভারে মুখরিত সৈকতের ইকোপার্ক, গঙ্গামতির লেক, গঙ্গামতির ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট, রাখাইন মার্কেট, ছায়াঘেরা নারিকেল কুঞ্জ, লেম্বুর চরের শুঁটকি পল্লী, লাল কাঁকরার বিচ, রাখাইন পল্লী, বৌদ্ধ বিহারের বৌদ্ধমূর্তি, কুয়াকাটা সংলগ্ন মিশ্রীপাড়ায় অবস্থিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ বৌদ্ধমূর্তি, সাগর থেকে জেগে ওঠা নৌকা, সুন্দরবনের পূর্বাঞ্চলখ্যাত ফাতরার সবুজবন, ঝাউ বাগান, মৎস্যবন্দর মহিপুর, মম্বীপাড়ার সৎ সঙ্গের মন্দিরসহ বিভিন্ন স্পটগুলো। সৈকতে পর্যটকদের বিচরণে মুখরিত হয়েছে সমুদ্রের দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটারের এ বেলাভূমি। ভ্রমণ পিপাসুদের সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ। সঙ্গে আছে সাগরের উচ্চতর ঢেউ।
বাগেরহাট থেকে বেড়াতে আসা সুকুমার দাস বলেন, ‘পরিবার পরিজন নিয়ে কুয়াকাটায় ঘুরতে এসেছি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুয়াকাটায় অনেক পর্যটক ঘুরতে এসেছেন। খুবই ভালো লাগছে।’
সিলেট থেকে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা অভ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘কুয়াকাটার পরিবেশ খুব ভালো তাই পূজায় এখানে বেড়াতে এসেছি। এখানে আসলে ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়ানো যায়। এখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত আসলেই দেখার মতো।’
হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, পূজা উপলক্ষে কুয়াকাটায় হোটেল-মোটেলগুলোতে ভিড় রয়েছে। কুয়াকাটায় বড়-ছোট মিলিয়ে অর্ধ-শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে আরও পর্যটকের চাপ থাকতো।’
কুয়াকাটা পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বারেক মোল্লা জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুয়াকাটায় পর্যটকরা ঘুরতে এসেছেন। কুয়াকাটা সৈকত এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত।’
আরও পড়ুন:
তাজিয়া মিছিল শুরু
প্রবীণদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত নয় দেশ
নভেম্বরে এশিয়ার পাঁচ দেশে ট্রাম্পের সফর, তালিকায় নেই বাংলাদেশ








