ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২ জন। নিহতের নাম জোহরা বেগম (৬৫)। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চার জনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ শের খাঁ ও জামাল ফকিরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দফায় দফায় এ সংঘর্ষে আহত হন কমপক্ষে ১২জন। ভাঙচুর করা হয় ১০টি বাড়ি। লুটপাট করা হয় বাড়ির মালামাল। সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ও ফরিদপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
নিহত জোহরা বেগমের পরিবারের দাবি স্থানীয় চেয়ারম্যান সোহাগ খানের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা জোহরা বেগমকে পিটিয়ে হত্যা করে।
আটঘর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান সোহাগ জানান, সোমবার সন্ধ্যায় জামাল ফকির, দেলু মোল্যার লোকজন কানাই দাসের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। সকালে জামাল ফকিরের লোকজন রটিয়ে দেয় জোহরা বেগম নামের এক মহিলাকে খুন করা হয়েছে। এ নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আমার পক্ষের কোনও লোকজন জড়িত ছিলনা।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা জানান, সংঘর্ষের পর এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।







