মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে হিলিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে পাইকারিতে কেজিপ্রতি ১৭ থেকে ১৮ টাকা। অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে পেঁয়াজের উৎপাদন এবার কম, তাই চাহিদা মতো পেঁয়াজ না পাওয়ায় দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রকারভেদে পাইকারিতে প্রতি কেজি ৫৪ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে ৩৭ থেকে ৩৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে ভারত থেকে আমদানি করা নিম্নমানের পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে এসব পেঁয়াজ ৩৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও বাজারে দেশীয় জাতের পেঁয়াজ ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বন্দর দিয়ে আগে প্রতিদিন ৪৫ থেকে ৫০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হতো। বর্তমানে বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। চলতি মাসের ৩ অক্টোবর থেকে শুরু করে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ৫০৫টি ট্রাকে ৯ হাজার ৬৭৪টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আর গত সেপ্টেম্বর মাসে ৬৩৯টি ট্রাকে ১২ হাজার ৯৫৩টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মো. হারুন উর রশীদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে ভারতে পেঁয়াজের উৎপাদন কমে গেছে। এতে করে ভারতের বাজারেই পেঁয়াজের সরবরাহ খানিকটা কমেছে। ফলে সেখানে দাম বাড়ার কারণে বাংলাদেশেও পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।’
ক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে হিলি স্থলবন্দর থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৭-৩৮ টাকা দরে কিনেছি। গত বৃহস্পতিবারও এসব পেঁয়াজ ৪৩-৪৪ টাকা দরে কিনেছিলাম। কিন্তু এ সপ্তাহে হঠাৎ করে পেঁয়াজের বাজার ৫৫-৬০ টাকায় উঠে গেছে।
হিলি স্থলবন্দর পরিচালনাকারী পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে দেশে পেঁয়াজের আমদানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। একারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।








