রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সরফ উদ্দিন আহাম্মেদ ঝন্টুকে জেতাতে কোমর বেঁধে নেমেছে আওয়ামী লীগ। ঝন্টুর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়াসহ সব ধরনের কাজে তাকে সার্বক্ষণিক সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র থেকে। দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এসব বিষয় তদারকি করতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ৩ ডিসেম্বর রংপুরে আসার কথা রয়েছে। এছাড়াও দলের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতাদের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি একটি দল ৪ ডিসেম্বর রংপুরে আসবেন। তারা ২১ ডিসেম্বর নির্বাচন পর্যন্ত রংপুরে অবস্থান করে ঝন্টুর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়াসহ দলের কর্মকাণ্ডের তদারকি করবেন। রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ ব্যাপারে সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল বলেন, ‘মেয়র প্রার্থী ঝন্টুর বাসায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের সভা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের প্রচারণায় দলের করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ঝন্টুর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য ১১টি টিম গঠন করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে ঝন্টুকে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করার পর সবাইকে নিয়ে তার পক্ষে কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মমতাজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রতিদিনই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছি। আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যা নেই।’
এদিকে,জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে সাবেক মেয়র সরফ উদ্দিন আহাম্মেদ ঝন্টুর দূরত্বকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাদের অনেকেই তাকে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তাদের মান ভাঙাতে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাস্থলে নিজে উপস্থিত হয়ে সহযোগিতা চেয়েছেন মেয়র প্রার্থী ঝন্টু। কিন্তু এরপরেও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে অনেকে ঝন্টুর বিরোধীতা করায় দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিশ্চুক মহানগর আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা।
তবে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে সরাসরি নির্দেশনা পেয়ে ২৭ নভেম্বর রাতে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা ঝন্টুর বাসায় যান। সেখানে রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তারা ঝন্টুর পক্ষে মাঠে নামার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।








