বগুড়ার শাজাহানপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুর রহমান দুলুর নির্দেশে করতোয়া নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, এতে নদীর ওপরের সেতু ও নদী তীরবর্তী কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শাজাহানপুরের আমরুল ইউনিয়নের ডেমাজানি এলাকায় করতোয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুর রহমান দুলুর নির্দেশে কমর উদ্দিন ইসলামিয়া কলেজ কর্তৃপক্ষ এভাবে বালু তুলছে।
এ ব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষ এএইচএম শফিকুত তারিক জানান, কলেজ মাঠের সীমানা বড় করতে জমি কেনা হয়েছে। জমিগুলো নিচু হওয়ায় ভরাট করার জন্য নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। মাটির দাম বেশি হওয়ায় সভাপতির (আসাদুর রহমান দুলু) নির্দেশে নদী থেকে বালু তুলে ওই জমিগুলোতে ফেলা হচ্ছে।
সরেজমিনে আরও দেখা যায়, আড়িয়া ইউনিয়নের সি-ব্লক এলাকায় করোতোয়া নদী থেকে বালু তুলে লোকাল গভর্নেন্স সাপোর্ট প্রোগ্রামের (এলজিএসপি) রাস্তা পাকা করার কাজে লাগানো হচ্ছে। বালু উত্তোলন কাজের তদারকিতে থাকা মোত্তালিব হোসেন নামের একজন জানান, স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার নির্দেশে বালু তোলা হচ্ছে। এখানে তার কিছু করার নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এখানেও বালু তোলার নির্দেশ দিয়েছেন আসাদুর রহমান দুলু।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নেওয়ার জন্য আসাদুর রহমান দুলুর মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে এ ব্যাপারে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি তার জানা নেই। ক্ষতিগ্রস্তদের কেউ লিখিত অভিযোগ করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







