বান্দরবানে বিএনপির কালো পতাকা মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশে লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ। এসময় জেলা ছাত্রদলের সভাপতিসহ তিন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আটক নেতাকর্মীদের নিঃশর্তে মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন বিএনপি নেতারা। তবে পুলিশ বলছে, অনুমতি ছাড়াই পুলিশের নিষেধ সত্ত্বেও কর্মসূচি পালন করায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বান্দরবান শহরের মসজিদ মার্কেটের সামনে থেকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবসে’র কর্মসূচির অংশ হিসেবে কালো পতাকা মিছিল বের করার চেষ্টা করেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা সড়কের ওপর বসে পড়েন। পরে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তারা সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের ছাত্রভঙ্গ করে দেয়।
এসময় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাবিকুর রহমান জুয়েল, কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোরশেদ বিন ওমর ও জেলা ছাত্রদলের সদস্য মো. রাসেলকে আটক করে পুলিশ।
পরে সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের ফুড প্যালেস রেস্টুরেন্টে জেলা বিএনপি’র সভাপতি ম্যা ম্য চিংয়ের সভাপতিত্বে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. ওসমান গনি ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ রেজা।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তিন নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে গেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক নেতাকর্মীদের নিঃশর্তে মুক্তি না দিলে তারা কঠোর আন্দোলন যাবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বান্দরবান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সরোয়ার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তারা কর্মসূচি পালনের জন্য পুলিশের অনুমতি নেয়নি। অনুমতি ছাড়াই তারা সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ তাদের নিষেধ করে। কিন্তু তারা পুলিশের নিষেধ অমান্য করে মিছিল বের করে। এ পরিস্থিতিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের তিন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আরও পড়ুন-
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি চলাচল শুরু
আসামে ৬৩ মামলার আসামি আমিনুর অস্ত্র ও গুলিসহ পাটগ্রামে গ্রেফতার







