লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচ জন আহত হয়েছে। সোমবার (৮ জানুয়ারি) কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রকি ও সাধারণ সম্পাদক মহসিন কবির সাগরের অনুসারীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পরে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাইন উদ্দিন পাঠানের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাইন উদ্দিন পাঠান বলেন, ‘কলেজের মূল ফটকে মারামারির ঘটনা দেখতে পেয়ে আমিসহ আরও কয়েকজন শিক্ষক সেখানে ছুটে যাই। আমাদের উপস্থিতির কারণে সবাই পালিয়ে যায়। তবে কি কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’
কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রকি বলনে, ‘তারা ছাত্রলীগ কর্মী। তবে এটা ছাত্রলীগের কোনও ইস্যু না, রাজনৈতিক ঘটনাও না। এটা ছেলেদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়েছে।’
কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিন কবির সাগর বলেন, ‘ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্র ও বহিরাগতদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে দেখতে পাইনি।’ তবে এ ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত নয় বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (৭ জানুয়ারি) প্রেম সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে কলেজ ক্যাম্পাস এলাকায় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি এসে ঘটনাটি মীমাংসা করে দেয়। এর জের ধরে সোমবার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের দু’গ্রুপের মধ্যে কলেজের মূল ফটকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রলীগের ৫ নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের মধ্যে তারেক ও ইমন নামে দু’জনের মাথায় জখম রয়েছে এবং জুবায়ের নামে একজনের হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাদের ৩ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দু’জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। আহতরা সবাই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। খবর পেয়ে সদর থানা ও শহর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।








