চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তা সজল নন্দী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেফতার তিন আসামি। শুক্রবার (১ জুন) বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আল ইমরান খানের আদালতে তারা জবানবন্দি দেয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক সুদীপ কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত রবিবার (২৭ মে) চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানাধীন সল্টগোলা ক্রসিং এলাকার নিজ বাসা থেকে রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা সজল নন্দীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিন রাতে সজলের ভাই স্বপন নন্দী বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বৃহস্পতিবার (৩১ মে) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তিনজনকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতার তিনজন হলেন, জয় বড়ুয়া (১৮), জিকু সেন (১৬) ও প্রতীক (১৬)।
পিবিআই পরিদর্শক সদীপ কুমার দাশ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাইকেল কেনার আগ্রহ দেখিয়ে তিনজন ওই দিন সজল নন্দীর সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় যায়। ওই সময় কথাকাটাকাটির জের ধরে তারা সজল নন্দীকে হত্যা করে। সজল নন্দী তার ছেলের সাইকেলটি বিক্রির জন্য দুই মাস আগে জিকু সেনকে বলেছিল। সেই সূত্র ধরেই তারা ওইদিন সজল নন্দীর বাসায় যায়।’
তিনি বলেন, ‘জবানবন্দিতে জয় বড়ুয়া জানিয়েছে, সজল সাইকেলের দাম চায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে সজলের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সজল জীকু সেনকে গলা ধাক্কা দিতে গেলে সে টেবিলের ওপর থাকা তালা দিয়ে সজলের মাথায় পরপর দু’টি আঘাত করে। এরপর সজল জয়কে ও জীকুকে মারতে চায়।পরে তারাও সজলকে ধাক্কা দেয় এবং জয়ের পকেটে থাকা ছুরি বের করে সজলের গলায় আঘাত করে। এরপর সজলের মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা বাসা থেকে বেরিয়ে আসে।
তিনি আরও বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি জয় বড়ুয়া দুই মাস আগে নগরীর নিউমার্কেট মোড় থেকে কেনে।’
আরও পড়ুন- নিজ বাসা থেকে ব্যাংক কর্মকর্তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার








