ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব পাইক পাড়ায় দরিদ্র পরিবারের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত আবুল কাশেক আসামি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী কিশোরীর মা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব পাইক পাড়ায় একটি ভাড়াবাড়িতে বসবাস করেন তারা। তার স্বামী রিকশা চালক এবং তিনি অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। এ সুযোগে তার বাসা ফাঁকা পেয়ে প্রতিবেশী আবুল কাশেম (৫৫) তার মেয়েকে ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। তার মেয়ে এক পর্যায়ে তাকে ধর্ষণের ঘটনা জানায়। পরে তিনি (কিশোরীর মা) ঘটনাটি স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর মিজান আনসারীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান। এরপর কাউন্সিলরসহ এলাকাবাসীর পরামর্শে সোমবার রাতে সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ধর্ষক আবুল কাশেম পলাতক রয়েছে। বর্তমানে ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।
এই ঘটনার বিষয়ে সুইডস্ বাংলাদেশ বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আল মামুন সরকার জানান, ‘ধর্ষণের বিষয়টি আমরা গতকাল (সোমবার) রাতে জানতে পেরেছি। ধর্ষণের শিকার কিশোরীটি প্রতিবন্ধী। ঘটনাটি জানার পর অনেকটা মর্মাহত হয়েছি। আমরা তদন্ত করে ধর্ষককে গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৪ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজান আনসারী জানান, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জিয়াউল হক জানান, ‘এ ঘটনায় সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। আমরা আসামিকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছি। আশা করি অচিরেই তাকে গ্রেফতার করতে পারবো।’
আরও পড়ুন- কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে ২ নারী আটক








