রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘বিএনপির তথাকথিত জনপ্রিয়তায় ভীত হওয়ার আমাদের কোনও কারণ নাই। কারণ জাতীয়ভাবেই তাদের কোনও জনপ্রিয়তা নেই। তাদের নেতাকর্মীরা কে কোথায় চলে গেছেন তার কোনও ঠিক নাই। তারা ক্ষমতায় থেকে সুবিধাবাদী দল, আন্দোলনের কোনও দল নয়। সে কারণে তারা রাজশাহীতে ব্যর্থ মেয়রের পেছনে কাতারবদ্ধ হতে পারেনি। তাদের মধ্যে প্রচুর বিভাজন, এটা তাদের কাজের মধ্য দিয়েই প্রমাণিত হয়েছে। কোনও সমন্বয় নেই, পোস্টার-লিফলেটও ঠিকমতো লাগাতে পারেনি। তারা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে, বোমাবাজি করে।’
সোমবার (২৩ জুলাই) নির্বাচনি গণসংযোগের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নগরীর ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন খায়রুজ্জামান লিটন।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচনে পুলিশকে ব্যবহারের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তার কোনও ভিত্তি নেই। কারণ আওয়ামী লীগ জনগণের দল। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করে। বিএনপির জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে। আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত বুঝতে পেরে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর দিন থেকেই অপপ্রচার ও মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে। নিজেরা বোমাবাজি করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’
খায়রুজ্জামান লিটন আরও বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নির্বাচনের দিন যতই কাছে আসছে, ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দ ততই বাড়ছে। নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত আমরা এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রাখতে চাই।’
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের মঠপুকুর থেকে গণসংযোগ শুরু করেন সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর বালিয়াপুকুর, ছোট বটতলা ও বড় বটতলা মোড়, রাণীনগর, সাধুর মোড়, মোন্নাফের মোড়, ইসলামপুর, বেদীসিংপাড়া, উপর ভদ্রা এবং ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভদ্রা এলাকায় গণসংযোগ করেন ও লিফলেট করেন খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর নগরীর ভদ্রা মোড়ে নির্বাচনি পথসভায় খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘উন্নত রাজশাহী গড়তে চাই। গত ৫ বছর যেভাবে রাজশাহী পিছিয়ে গেল এভাবে পিছিয়ে যেতে চাই না। রাজশাহীর উন্নয়নে নৌকা মার্কায় ভোট দিন।’








