রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘দলমত নির্বিশেষে সবাই যে আশা বা প্রত্যাশা নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নেমেছেন, আমি মেয়র নির্বাচিত হলে সেই প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো। কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের মাধ্যমে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করা হবে। ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হলে এতোদিন অনেক কাজ হয়ে যেতো। কিন্তু গত পাঁচ বছর সময় নষ্ট হয়ে গেলো। আর সময় নষ্ট করা যাবে না।’
বুধবার (২৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরীর লক্ষীপুর ভেড়িপাড়া মোড়ে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। লিটন আরও বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে রাজশাহী পিছিয়ে গেল। সড়কের বাতি বন্ধ হলো। চারদিকে ময়লা আবর্জনা। কোনও উন্নয়ন হলো না। যে মেয়র ঈদের আগে সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ান, তিনি নগরীর ৮ লাখ মানুষের কল্যাণ করবেন কীভাবে? আমরা আর পিছিয়ে যেতে চাই না। নৌকায় ভোট দিলে এক লাখ ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান হবে। আবেদন করেও যারা বাসাবাড়িতে গ্যাস পাননি। তাদের ঘরে ঘরে গ্যাস যাবে। নতুন নতুন স্কুল-কলেজ হবে।’
ভেড়িপাড়া মোড়ে পথসভা শেষে ওই এলাকায় গণসংযোগ করেন খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর রাজপাড়া, মহিষবাথান, টুলটুলিপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় স্বাধীনতা ও উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট চান খায়রুজ্জামান লিটন।
এরপর নগরীর আমবাগান এলাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে প্রকৌশলীদের এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন আওয়ামী লীগের এই প্রার্থী। সেখানে লিটন বলেন, ‘আমরা এক টানা ১০ বছর সময় পেলে এতোদিনে রাজশাহীর চেহারাই পাল্টে যেত। এখানে উপস্থিত অনেক প্রকৌশলীকে নিয়ে অনেক অবকাঠামো তৈরি করেছি। আগামীতে সময় পেলে আর ৫০ বা একশ কোটি টাকা নয়, ৫ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন করবো। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রকল্প এনে এটি কেবল আমার পক্ষেই করা সম্ভব।’
আরও পড়ুন- সিটি নির্বাচনের সময় মেসে থাকা নিয়ে বিপাকে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী








