মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা কমলগঞ্জ থানায় তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই ২৮ জুলাই শনিবার ভোর রাতে পুলিশ অভিযুক্ত তিন যুবককে গ্রেফতার করে।পরে মৌলভীবাজার আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার যুবকরা হলো— পশ্চিম বালিগাঁও গ্রামের আজাদ মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া ও ওরফে বাবু মিয়া (১৮), বটতল গ্রামের আকরাম উল্যার ছেলে আব্দুল মুমিন (২০), ও সিএনজি চালক ধলাইপার গ্রামের আদিল চৌধুরীর ছেলে জাহিদ হাসান ওরফে সোহাগ মিয়া (১৯)।
মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার মো.আশরাফুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে শনিবার রাতে এতথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পপারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কমলগঞ্জ পৌরসভার ভানুগাছ বাজারের মকবুল আলী সড়কে মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকে ওই কিশোরী (১৫)। স্থানীয় একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে সে। শুক্রবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে নিজ বাসায় ফিরছিল কিশোরী। এসময় রাস্তায় তিন বখাটে কিশোরীর মুখ চেপে ধরে জোর করে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নেয়। পরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করে তারা। ধর্ষণের পর কিশোরীকে কমলগঞ্জ পৌরসভা সংলগ্ন ধানি জমিতে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানার এএসআই মোস্তফা মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শুক্রবার রাত ৯টায় কিশোরীকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিশোরীর বক্তব্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় জড়িত তিন যুবককে শুক্রবার দিবাগত রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।
কমলগঞ্জ পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মুগ্নী মুহিত জানান, ধর্ষণের শিকার কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে পৌর এলাকার ভানুগাছ বাজারের মকবুল আলী সড়কের (ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকায়) রফিক মিয়ার কলোনিতে ভাড়া বাসায় থাকে। তারা খুবই দরিদ্র বলে অন্যের ঘরে ঝিয়ের কাজ করে সংসার চালায়।
কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোক্তাদির হোসেন পিপিএম বলেন, ‘গ্রেফতার তিন ধর্ষককে শনিবার মৌলভীবাজার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো কহয়েছে। এর আগে সকালে কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।’







