গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে নাবিল পরিহনের একটি নৈশকোচের সঙ্গে পাথরবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোচ ও ট্রাকের চালক-হেলপারসহ অন্তত ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পলাশবাড়ীর বিটিসিএল মোড়ের অদূরে আজমপুর নামক এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পলাশবাড়ী থানার ওসি জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রংপুরগামী নাবিল পরিবহনের নৈশকোচটি আজমপুর এলাকায় পৌঁছালে বগুড়াগামী একটি পাথরবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে কোচ ও ট্রাকের চালক-হেলপারসহ অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। খবর পেয়ে টহলরত পলাশবাড়ী থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালায়। আহতদের উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে কোচ ও ট্রাকের চালক-হেলপারসহ পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে একজনের হাত ও পা ভেঙে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ওসি মোস্তাফিজুর রহমান আরও জানান, দুর্ঘটনা কবলিত নৈশকোচ ও ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। দুর্ঘটনার স্থান পলাশবাড়ী উপজেলার শেষ সীমানার আজমপুর নামক এলাকায়, আজমপুর রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মধ্যে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া নৈশকোচ ও ট্রাক মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে হাইওয়ে পুলিশ অবস্থান করছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালে শুধু একজন ডিউটি চিকিৎসকের দেখে মেলে। আহতের সংখ্যা বেশি হওয়ায় জরুরি চিকিৎসকদের খবর দিতে বলা হয়। কিন্তু দীর্ঘসময় অপেক্ষার পরও কোনও চিকিৎসক আসেননি। তাই আহতদের সবাইকে তাৎক্ষণিকভাবে উপযুক্ত সেবা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে চেষ্টা করেও আহত ও স্থানীয়দের অভিযোগের ব্যাপারে দায়িত্বরত চিকিৎসকের কোনও বক্তব্য জানা যায়নি।







