দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় পাঁচটি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে সংসদীয় আসন দুইটি। পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী ও তেঁতুলিয়া উপজেলা নিয়ে পঞ্চগড়-১ আসন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক প্রার্থী কেন্দ্রে লবিং করছেন। পাশাপাশি নির্বাচনি এলাকায় পৃথকভাবে গণসংযোগও করছেন।
অপরদিকে মনোনয়ন নিয়ে জোট-মহাজোটের শরিক দলগুলোও কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। তাই দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দিতে দুই দলেরই প্রধান অন্তরায় শরিক দল। জোট-মহাজোটের হিসাব-নিকাশও করতে হচ্ছে প্রধান দল দুটিকে। আসনটিতে জাতীয় পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ জাসদ ও জামায়াতে ইসলামী- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর জয় পরাজয়ে ফ্যাক্টর।
পঞ্চগড়-১ আসনে ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৭৬ হাজার ৭৩ জন। এ আসনের সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনি এলাকা।দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে চায়ের দোকান সর্বত্রই চলছে নির্বাচনি আলাপ।তবে আওয়ামী লীগ ও জোট-মহাজোটের প্রার্থীদের নির্বাচনি দৌড়ঝাঁপ দেখা গেলেও বিএনপি প্রার্থীদের তৎপরতা তুলনামূলক কম।
আওয়ামী লীগ
২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মজাহারুল হক প্রধান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপির প্রার্থী মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজ ১৯৯১ সালে এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার হেভিওয়েট প্রার্থী ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করলেও বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত আসনটি ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হিসেবে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক লাঙল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। ওই নির্বাচনে অবিভক্ত জাসদের প্রার্থী, বর্তমানে বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হক প্রধান মশাল প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জেলা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মনে একটাই প্রশ্ন, আসন্ন নির্বাচনে জোটগতভাবে এ আসন থেকে কে মনোনয়ন পাচ্ছেন, নাজমুল হক প্রধান না জাতীয় পাটির প্রার্থী আবু সালেক। নাকি আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। জোট মহাজোটের প্রার্থীরা ছাড় না দিলে এ আসনে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে নানা মেরুকরণ সৃষ্টি হতে পারে।
পঞ্চগড়-১ আসনে সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মজাহারুল হক প্রধান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাঈমুজ্জামান মুক্তা, আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রচার ও লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।
দলীয় একটি সূত্র জানায়, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মজাহারুল হক প্রধান নির্বাচনি এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পক্ষে রাখার চেষ্টা করছেন। প্রায় সময়ই এখন মাঠে থাকেন। দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি তার পক্ষের লোকজনদের নিয়ে সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ করছেন।
নাঈমুজ্জামান মুক্তা সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ করছেন। স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।
সাবেক স্পিকার ও আইনমন্ত্রী মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজের জামাই, জেলার আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মনির হোসেন এলাকায় সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ করছেন। তিনিও বিভিন্ন ব্যক্তি, ক্লাব, প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, মসজিদ, মক্তব ও মন্দিরে দান-অনুদানসহ এলাকার মানুষের পাশে থাকছেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ, উঠোন বৈঠক ও শোডাউন করছেন। নবীন-প্রবীণ নেতাকর্মীদের নিয়ে উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
মনোনয়নপ্রত্যাশী নাঈমুজ্জামান মুক্তা বলেন, তরুণ প্রজন্ম এবং স্থানীয় মানুষের ভালোবাসাই আমার ভরসা। আওয়ামী লীগের একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি মনোনয়ন চাইবো। আগামী দিনে ক্লিন ইমেজের এবং তরুণ নেতৃত্ব খুঁজলে আওয়ামী লীগ আমার প্রতি আস্থা রাখবে। সেক্ষেত্রে আমি আমার সততা এবং যোগ্যতা নিয়েই জনগণের পাশে দাঁড়াতে পারবো।
জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মজাহারুল হক প্রধান বলেন, আমি ২০১৪ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি। এ কারণে তিনি এবারও আমাকে মনোনয়ন দেবেন বলে আমি আশাবাদী। মানুষের মনের কথা আমি বুঝি। মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে আবার নির্বাচিত করবেন।
পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত বলেন, বিগত নির্বাচনে আমি মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলাম। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমি মনোনয়নপ্রত্যাশী। আমাকে নৌকা প্রতীক দিলে সাধারণ মানুষের সমর্থনে আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবো বলে আশা করছি।
পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষে সব নেতাকর্মী ও সমর্থক একত্রিত হবে।
বিএনপি
সাবেক স্পিকার ও আইনমন্ত্রী, পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক এমপি মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজের মৃত্যুর পর পঞ্চগড় জেলা বিএনপির হাল ধরেন সাবেক স্পিকার ও শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহম্মদ জমিরউদ্দিন সরকার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজাহারুল হক প্রধানের কাছে পরাজিত হন।
আগামী নির্বাচনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হতে চান ঢাকায় বসবাসরত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমিরউদ্দিন সরকার অথবা তার ছেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। ক্ষমতায় থাকাকালে এমপি, মন্ত্রী ও স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় জমিরউদ্দিন সরকার এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। এ কারণে তার জনপ্রিয়তা, সুনাম ও পরিচিতি রয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় না আসা, বিএনপির দ্বন্দ্ব-কোন্দল নিরসন না করাসহ বিভিন্ন কারণে তার জনপ্রিয়তা কমে গেছে। অন্যদিকে নওশাদ জমিরের নিজের তেমন পরিচিতি নেই, বাবার পরিচয়েই তিনি পরিচিত। মাঝে মধ্যে বাবা-ছেলে এলাকায় আসেন। স্বপক্ষের নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ করেন।
এ আসনে জমিরউদ্দিন সরকারকে মনোনয়ন না দিলে পঞ্চগড় পৌরসভার মেয়র মো. তৌহিদুল ইসলাম মনোনয়ন চাইবেন। স্থানীয়ভাবে নিজস্ব কর্মী বাহিনীর পাশাপাশি নিজস্ব একটি ভোট ব্যাংকও গড়ে তুলেছেন। তিনি এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে তিনি প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তৌহিদুল পাঁচ বার পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন।
পঞ্চগড় পৌর বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র তৌহিদুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে দল নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে এবং বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে আমি দলীয় মনোনয়ন চাইবো। আমার নির্বাচনের প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করি দল আমাকে মূল্যায়ন করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মুহম্মদ জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, ম্যাডাম যদি নির্বাচন করতে বলেন তাহলে করবো। তবে এ বয়সে নির্বাচন করা কি ঠিক হবে? এখানে আমার ছেলে বা অন্য যে কেউ মনোনয়ন পাক, নির্বাচনে সকলকেই তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশ জাসদ
পঞ্চগড়-১ আসনের বর্তমান এমপি বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হক প্রধান মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের কাছে মনোনয়ন চাইবেন। মহাজোট থেকে মনোনয়ন না পেলে তিনি দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান। বিগত নির্বাচনে মশাল প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় জাসদের প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হক প্রধান মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে এ আসনে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। সুশীল সমাজের নবীন-প্রবীণ সংগঠকদের একটি অংশও তাকে সমর্থন দিয়ে আসছেন। দলীয় কর্মকাণ্ডে ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামী লীগ, বিএনপি, বামপন্থী সংগঠন, শিক্ষক, সমাজসেবক, চাকুরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনকে নিয়ে তিনি এলাকার মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। নাজমুল হক প্রধান বলেন, সংসদীয় এলাকায় ব্যক্তি পর্যায়ে সবার সমস্যা নিরসন করা সম্ভব না হলেও সামগ্রিকভাবে জনগণের উপকার করার চেষ্টা করছি। মানুষের প্রত্যাশা ও দাবি অনুযায়ী এখনও অনেক কাজ করা প্রয়োজন। নির্বাচনের আগে পর্যায়ক্রমে এসব কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি।
জাতীয় পার্টি
জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েও পরাজিত হন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি মহাজোটের মনোনয়ন চাইবেন। জাতীয় পার্টি জোটগতভাবে নির্বাচনে না গেলে তিনি এ আসন থেকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন। নির্বাচন উপলক্ষে একটি জিপ গাড়ির চতুর্দিকে পোস্টার আর মাইক লাগিয়ে শহর বন্দর গ্রাম ঘুরে গণসংযোগ ও সভা সমাবেশ করছেন তিনি।
পঞ্চগড় জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক বলেন, বিগত নির্বাচনে জাতীয় পার্টি মহাজোটের মধ্যে থেকে নির্বাচন করেছে। বিএনপি আসুক আর নাই আসুক এবারও জোটগতভাবে নির্বাচন হলে আমি মনোনয়ন চাইবো। যদি জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনে পৃথকভাবে নির্বাচন করে তাহলেও এ আসনে আমি দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেব। জোটগতভাবে হোক বা দলীয়ভাবে হোক এবার আমি নির্বাচিত হবো বলে আশা করছি।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)
পঞ্চগড়-১ আসনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম শফিউল আলম প্রধানের একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। তিনি এ আসনে একাধিকবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটার তাকে ভোট দিয়ে আসছেন। শফিউল আলম প্রধানের মৃত্যুর পর তার সহধর্মিণী অধ্যাপক রেহেনা প্রধান জাগপার সভাপতি ও তার কন্যা ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জুঁই সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান। দায়িত্ব পাওয়ার পর তারা দুজনেই গোটা পঞ্চগড় জেলায় একাধিকবার গণসংযোগ করেন। এ সময় তারা সংগঠনকে পুনর্গঠন ও নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করেন। এছাড়া মাঝে মাঝে এসে সভা সমাবেশ ও উঠোন বৈঠক করেন।২০ দলীয় জোট থেকে এই আসনে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জুঁই মনোনয়নের জন্য জোর লবিং শুরু করেছেন।
ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জুঁই বলেন, জোটের হয়ে পঞ্চগড়-১ ও ২ এর যেকোনও একটি আসনে মনোনয়ন চাইবো। আমি দুটি আসনেই গণসংযোগ করছি। আমি ২০ দলীয় জোটের মনোনয়ন চাইবো। আশা করি, খালেদা জিয়া আমাকে মনোনয়ন দেবেন এবং আমি জয়লাভে সক্ষম হবো।
জামায়াত
জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন না হলে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল খালেক আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে আবদুল খালেক বলেন, এর আগেও আমি পঞ্চগড়-১ আসনে জোটের হয়ে মনোনয়ন চেয়েছিলাম। এবার দলীয়ভাবে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। দলীয়ভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হলে এ আসনে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো।







