মাত্র একদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৭ থেকে ৮ টাকা। একদিন আগেও পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল প্রকারভেদে ১০ থেকে ১৩ টাকা। শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা দরে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ইন্দোর, হুগলি ও গুজরাট জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। আমদানি করা এসব পেঁয়াজ একদিন আগে পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রকারভেদে ১০ থেকে ১৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে এসব জাতের পেঁয়াজ ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। খুচরা বাজারে কিছুটা নিম্নমানের পেঁয়াজ ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা একদিন আগে ৪/৫ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে। তবে দেশি জাতের পেঁয়াজ একই দামে প্রকারভেদে ১৫ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন, ব্যাংক ক্লোজিং, সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত টানা চার দিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এতে করে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজসহ সব ধরনের পণ্যের আমদানি বন্ধ থাকবে। এতে করে দেশের বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ বন্ধ থাকবে। ফলে চাহিদার তুলনায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম খানিকটা বেড়েছে। এছাড়া, বন্দর দিয়ে আগে যেখানে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হতো, এখন সেখানে ১৫ থেকে ২০ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। এ কারণে দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। তবে ছুটি শেষে বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু হলে এবং দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পেঁয়াজের দাম কমে আসবে বলে তিনি জানান।







