চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন রবিবার (৩১ মার্চ)। কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায়, শেষ সময়ে এসেও ভোটের মাঠে কোনও আমেজ নেই। তবে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা।
স্থানীয়রা জানান, ভোটের সময় আগে যেমন উৎসব উৎসব ভাব ছিল এখন তা আর নেই। যেই নির্বাচিত হন, হোন। এসব নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই।
সদর উপজেলার মাজার এলাকার একজন ভোটার বলেন, ‘এই উপজেলায় চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের দুজন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। এখন বাকি একজন ভাইস চেয়ারম্যান।’
বাগেরহাট সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরদার মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিত করার জন্য বিভিন্ন উপায়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
বাগেরহাট জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাটের ৯টি উপজেলার মধ্যে পাঁচ উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছাড়া অন্যকোনও প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি। আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে (১৩ মার্চ) চিতলমারীর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৬ উপজেলার আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা।
এছাড়া বাগেরহাট সদরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং ফকিরহাটে ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী থাকায় তারাও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এখন ৩টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হচ্ছে। এরমধ্যে মোল্লাহাট ও মোরেলগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর বিপরীতে একজন করে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। আর ফকিরহাট উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিপরীতে রয়েছেন ওয়ার্কাস পার্টির প্রার্থী।
বাগেরহাটের রির্টার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ৬০ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট নেওয়া হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।’
উল্লেখ্য, রবিবার (৩১ মার্চ) নির্বাচনের দিনে ৯ উপজেলার ৭৫টি ইউনিয়নে ৪৬৭ কেন্দ্রে ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৫১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।







