ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে শুক্রবার (৩ মে) দিবাগত গভীর রাতে বাগেরহাট ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এসব এলাকায় শনিবার (৪ মে) ভোররাত থেকে বৃষ্টি বন্ধ থাকলেও দমকা হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের গতিও বাড়ছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও নদ-নদী উত্তাল রয়েছে। জেলার নয়টি উপজেলার সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন এক লাখ ৩০ হাজার মানুষ। তবে বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মো. জহিরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলায় ৪৫ হাজার, মোংলায় ২৬ হাজার, মোরেলগঞ্জে ৩৯ হাজার ও রামপালে ৩০ হাজার মানুষ সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরতদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।
এদিকে, শুক্রবার (৩ মে) দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া দমকা হাওয়ার প্রভাবে বাগেরহাটে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে শুক্রবার দুপুরে (৪ এপ্রিল) ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে দমকা হাওয়ায় গাছের ডাল ভেঙে পড়ে সদর উপজেলার রনজিৎপুর গ্রামের মোজাহার হাওলাদারের স্ত্রী শাহারুন বেগম (৫০) মারা যান।








