উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঁচদিনের ভারী বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ায় আশ্রয়স্থল হারিয়েছেন দুই হাজার সাতশ’ জনের বেশি রোহিঙ্গা। এ সময় প্রাণ হারিয়েছেন দু’জন। এছাড়া তিন হাজার চারশ’ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম- এর ন্যাশনাল কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য বলা হয়েছে।
আইওএম’এর মুখপাত্র জর্জ ম্যাকলয়েড বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিমাণ ইতোমধ্যেই ২০১৮ সালের চেয়েও বেশি হয়েছে। আইওএমের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবক দল রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এই ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখতে পেয়েছেন। গত ৩ থেকে ৫ জুলাই- এই তিন দিন সবচেয়ে বড় কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৫১০ মিলিমিটার। আরেকটি বড় ক্যাম্প- ‘ক্যাম্প ১৬’ তে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৫৩০ মিলিমিটার।
আইওএম’র হিসাব মতে, গত ২ থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি ১ হাজার ১৮৬টি, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি ২১৬টি, ঝড়ো হাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি ১ হাজার ৮৪০টি, বন্যায় অথবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৫৩৪ জন। ভূমিধস হয়েছে ৩৯১টি, ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে ৫১ বার।
আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে তমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখার রোহিঙ্গা শিবির








